আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৭ পড়া হয়েছে
৮২

শেখ সাদী
ওমর ফারুক আশরাফি

একদা শেখ সাদী রাস্তা দিয়া হাটিয়া যাচ্ছিলেন।পথিমধ্যেই এক বাড়িতে বড় করিয়া ভোজের আয়োজন করা হইয়াছিল।শেখ সাদী তখন ক্ষুধার্ত ছিলেন।তাহার পরনে ছিলো ধুলায় মোড়ানো একটা জুব্বা আর ছিরা-ফাটা একজোড়া জুতা।এমতাবস্থায় তিনি বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করিলেন এবং অনুমতি লইয়া খাবার টেবিলে বসেছিলে।তাহার সামনে খাবার রাখা হইলো।তিনি খাওয়া আরম্ভ করিবেন তখনই বাড়িওয়ালা আসিয়া উপস্থিত হইলো।বলিল,কে এই ভিখারি?গর্দান ধরিয়া ওকে বাহির করিয়া দাও।সবাই তাহাকে বাহির করিয়ে দিলো।সাদী বলিল,আমি ভিখারি নহে;বাড়িওয়ালা বলিল,কে তুই? তোর পোশাকেই তো বুঝা যায় তুই অধম ভিখারী। মন খারাপ করিয়া চলিয়া আসিলেন।

বছর শেষে আবার ওই বাড়িতে উৎসবের ঘন্টা বাজিয়া গিয়াছে।এইবার শেখ সাদীও দাওয়াত পাইয়াছেন।তিনি তার সবচেয়ে দামি পোশাকে পরিয়া বাড়িতে হাজির।সবাই তাহাকে দেখিতে ভিড় করিল। যথেষ্ট আপ্যায়ন করিলো।খাবার টেবিলে বসাইয়া যখনই খাবার সামনে দেওয়া হইলো, শেখ সাদী তখনি সকল খাবার তার পোশাকে মাখিতে আরম্ভ করিলেন।সবাই বলে উঠিলো, আপনি কি পাগল হইয়া গিয়েছেন?কোন্ ভদ্রলোক কি এইভাবে পোশাকে খাবার মাখাইতে পারে?

সেখ সাদী বলিল,গত বছর এই বাড়িতে অনুষ্ঠান হইয়াছিল,আমি গরিবের পোশাকে আসিয়াছিলাম বলে;আমাকে তারাইয়া দিয়াছিলো।এই খাবার তো আমার নহে।এই খাবার তো পোশাকের। সবাই তাহার ভুল বুঝিতে পারিলো।তাহার কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছো, তিনিও সকলকে ক্ষমা করিয়া দিলেন।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
৮২

শেখ সাদী
ওমর ফারুক আশরাফি

একদা শেখ সাদী রাস্তা দিয়া হাটিয়া যাচ্ছিলেন।পথিমধ্যেই এক বাড়িতে বড় করিয়া ভোজের আয়োজন করা হইয়াছিল।শেখ সাদী তখন ক্ষুধার্ত ছিলেন।তাহার পরনে ছিলো ধুলায় মোড়ানো একটা জুব্বা আর ছিরা-ফাটা একজোড়া জুতা।এমতাবস্থায় তিনি বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করিলেন এবং অনুমতি লইয়া খাবার টেবিলে বসেছিলে।তাহার সামনে খাবার রাখা হইলো।তিনি খাওয়া আরম্ভ করিবেন তখনই বাড়িওয়ালা আসিয়া উপস্থিত হইলো।বলিল,কে এই ভিখারি?গর্দান ধরিয়া ওকে বাহির করিয়া দাও।সবাই তাহাকে বাহির করিয়ে দিলো।সাদী বলিল,আমি ভিখারি নহে;বাড়িওয়ালা বলিল,কে তুই? তোর পোশাকেই তো বুঝা যায় তুই অধম ভিখারী। মন খারাপ করিয়া চলিয়া আসিলেন।

বছর শেষে আবার ওই বাড়িতে উৎসবের ঘন্টা বাজিয়া গিয়াছে।এইবার শেখ সাদীও দাওয়াত পাইয়াছেন।তিনি তার সবচেয়ে দামি পোশাকে পরিয়া বাড়িতে হাজির।সবাই তাহাকে দেখিতে ভিড় করিল। যথেষ্ট আপ্যায়ন করিলো।খাবার টেবিলে বসাইয়া যখনই খাবার সামনে দেওয়া হইলো, শেখ সাদী তখনি সকল খাবার তার পোশাকে মাখিতে আরম্ভ করিলেন।সবাই বলে উঠিলো, আপনি কি পাগল হইয়া গিয়েছেন?কোন্ ভদ্রলোক কি এইভাবে পোশাকে খাবার মাখাইতে পারে?

সেখ সাদী বলিল,গত বছর এই বাড়িতে অনুষ্ঠান হইয়াছিল,আমি গরিবের পোশাকে আসিয়াছিলাম বলে;আমাকে তারাইয়া দিয়াছিলো।এই খাবার তো আমার নহে।এই খাবার তো পোশাকের। সবাই তাহার ভুল বুঝিতে পারিলো।তাহার কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছো, তিনিও সকলকে ক্ষমা করিয়া দিলেন।