আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একবার যদি কেউ ভালোবাসত, লিখেছেন কবি রকিবুল ইসলাম।

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯০ পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

২৪৫

 

তুমি কিন্তু অতটাও সুন্দর নও, যতটা নিজেকে ভাব। আমার দৃষ্টির সৌন্দর্যেই তুমি আজ এত সুন্দর! আমি সবিস্ময়ে তোমার পানে চেয়ে থাকি বলেই তোমার সৌন্দর্য্য আজ ঠিকরে বেরিয়ে পড়ছে। হাজারো দুঃখ- কষ্ট,অপমান সয়েই আমি এই খেলায় মেতেছি। কেউ তা জানে না ,জানতেও পারবে না কভূ। অপরের অনলে স্বীয় সত্ত্বাকে পুড়িয়ে,নিজেকে দাহ্য করে ভস্ম হয়ে যাওয়ার মাঝে যে প্রশান্তি তা যদি একবার কেউ বুঝতো তাহলে অন্যকে না পুড়িয়ে নিজেই অঙ্গার হত অন্যের অনলে দাহ হয়ে। তোমাকে পথ দেখাতে গিয়ে ফেরার ক্ষণে আমি ভুলে গিয়েছি পথ, কভু পাইনি সে পথের দিশা হারিয়েছি নিজেকে তব মাঝে। গুরুত্বহীণ তরুলতার মত আমার মননটাও উদাসী আকাশে বুনোহাঁস হয়ে উড়ে বেড়ায় আজ। কখনো প্রস্ফুটিত হতে না পারা,কভূ পাদ-প্রদীপের আলোয় আসতে না পারা আমি আঁধারে নিমজ্জিত একজন,যে অহর্নিশি কেঁদে চলেছে তোমার জন্য নিরন্তর। যেদিন আমার বুকের খাঁচাটা শূণ্য করে নিঃস্ব-রিক্ত করে প্রস্থান করেছিলে স্বর্গ সুখের ঠিকানায় সেদিনই ডুবে ছিলাম আমি অমানিশার ঘোর আঁধারে। তবু, ভেবেছিলাম তুমি বোধহয় আমার জীবনের শুরু,শেষ ভালবাসা। পুনর্জন্মে আমি বিশ্বাসী নই। তবু, যদি মহান আল্লাহতালা সমস্ত প্রথা ভেঙ্গে আবার আমাকে এই ধরণীতে প্রেরণ করেন,আবার যদি নবরূপে আসার সুযোগ দান করেন,তখন আমি চাইব আমি যেন আরো অপূর্ণ,আরো ব্যর্থ হয়েই জন্মগ্রহণ করি।তবেই তো তোমাকে আরো বেশি করে আমার হৃদয় লালন করতে পারব।তোমার সুখের নীড়ে আমারে আর নাইবা ডাকলে! চাপা কিছু অভিমান নিয়ে স্বীয় সত্ত্বাকে সিক্ত করে রাখব। ভূলে যাওয়া জ্যোৎস্ন্যা রাতের দুঃসহ স্মৃতি আর অধরা স্বপ্নকে ফিরে পেতে অধীর আমি বসে আছি হৃদয়ের দ্বার খুলে। অনেক কষ্টে আমি ভুলেছি সে পথ যে পথে হারিয়েছি তোমায়। স্মৃতির মানস পটে ধুলো মাখা প্রতিচ্ছবিতে এখন আরো ধুলো পড়ে তা অতিশয় ম্রিয়মাণ টিম টিম করে জ্বলা নিভু নিভু প্রদীপ।ঘুমিয়ে গেছে পুরো পৃথিবী, কোথাও কেউ জেগে নেই শুধু নিশাচর এই আমি ছাড়া। আর তুমি ?তুমি আজ অন্য কারো বুকে মাথা রেখে নিদ্রা যাও পরম পুলকে! নাকি তোমারও মাঝে মাঝে মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় কোন চিরচেনা অথচ অজানা কোন ব্যথায়। আজ আমার কবিতারা প্রায়শ:ই ছন্দ হারায়। কেউ না জানুক কার স্মরণে,কেউ না জানুক কোন কারণে এই বিষন্নতা,এই বিঘ্নতা, এই স্থবিরতা।কেউ না জানুক কোন হতাশায় আমার দিবানিশি কেঁটে যায় নিরবে- নিভৃতে।তবুও তো জীবন অতিবাহিত হয় স্রোতস্বিনী নদীর ন্যায়,কেঁদে যায়,চলে যায় জীবনের নিয়মে। শিশিরের কণা সমৃদ্ধ তোমার হাসি আর মনোলভা দৃষ্টি এবং মায়াবী ছলনার মোহে আমি আজও মোহবীষ্ট। যে আমার জনম জনমের চেনা সেই তোমাকে আগুনের দিনের শেষে যখন ফাগুনেরা আবার আসতে শুরু করবে আমার জীবনে তাদেরকে সাথে নিয়েই ঝর্ণার গান গাইব তোমার সম্মূখে। কভূ জানতে না,জানতেও চাওনি তোমাকে কত ভালোবাসি। যদি কভূ জানতে পার তখন হয়ত নির্বাক নয়নে স্মৃতি হাতড়ে বেড়াবে, খুঁজতে চাইবে পথ ভোলা সে সুখকে। তোমার নয়ন গড়িয়ে পড়া অশ্রু জল বলবে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে- “একবার যদি কেউ ভালোবাসত!

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

একবার যদি কেউ ভালোবাসত, লিখেছেন কবি রকিবুল ইসলাম।

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
২৪৫

 

তুমি কিন্তু অতটাও সুন্দর নও, যতটা নিজেকে ভাব। আমার দৃষ্টির সৌন্দর্যেই তুমি আজ এত সুন্দর! আমি সবিস্ময়ে তোমার পানে চেয়ে থাকি বলেই তোমার সৌন্দর্য্য আজ ঠিকরে বেরিয়ে পড়ছে। হাজারো দুঃখ- কষ্ট,অপমান সয়েই আমি এই খেলায় মেতেছি। কেউ তা জানে না ,জানতেও পারবে না কভূ। অপরের অনলে স্বীয় সত্ত্বাকে পুড়িয়ে,নিজেকে দাহ্য করে ভস্ম হয়ে যাওয়ার মাঝে যে প্রশান্তি তা যদি একবার কেউ বুঝতো তাহলে অন্যকে না পুড়িয়ে নিজেই অঙ্গার হত অন্যের অনলে দাহ হয়ে। তোমাকে পথ দেখাতে গিয়ে ফেরার ক্ষণে আমি ভুলে গিয়েছি পথ, কভু পাইনি সে পথের দিশা হারিয়েছি নিজেকে তব মাঝে। গুরুত্বহীণ তরুলতার মত আমার মননটাও উদাসী আকাশে বুনোহাঁস হয়ে উড়ে বেড়ায় আজ। কখনো প্রস্ফুটিত হতে না পারা,কভূ পাদ-প্রদীপের আলোয় আসতে না পারা আমি আঁধারে নিমজ্জিত একজন,যে অহর্নিশি কেঁদে চলেছে তোমার জন্য নিরন্তর। যেদিন আমার বুকের খাঁচাটা শূণ্য করে নিঃস্ব-রিক্ত করে প্রস্থান করেছিলে স্বর্গ সুখের ঠিকানায় সেদিনই ডুবে ছিলাম আমি অমানিশার ঘোর আঁধারে। তবু, ভেবেছিলাম তুমি বোধহয় আমার জীবনের শুরু,শেষ ভালবাসা। পুনর্জন্মে আমি বিশ্বাসী নই। তবু, যদি মহান আল্লাহতালা সমস্ত প্রথা ভেঙ্গে আবার আমাকে এই ধরণীতে প্রেরণ করেন,আবার যদি নবরূপে আসার সুযোগ দান করেন,তখন আমি চাইব আমি যেন আরো অপূর্ণ,আরো ব্যর্থ হয়েই জন্মগ্রহণ করি।তবেই তো তোমাকে আরো বেশি করে আমার হৃদয় লালন করতে পারব।তোমার সুখের নীড়ে আমারে আর নাইবা ডাকলে! চাপা কিছু অভিমান নিয়ে স্বীয় সত্ত্বাকে সিক্ত করে রাখব। ভূলে যাওয়া জ্যোৎস্ন্যা রাতের দুঃসহ স্মৃতি আর অধরা স্বপ্নকে ফিরে পেতে অধীর আমি বসে আছি হৃদয়ের দ্বার খুলে। অনেক কষ্টে আমি ভুলেছি সে পথ যে পথে হারিয়েছি তোমায়। স্মৃতির মানস পটে ধুলো মাখা প্রতিচ্ছবিতে এখন আরো ধুলো পড়ে তা অতিশয় ম্রিয়মাণ টিম টিম করে জ্বলা নিভু নিভু প্রদীপ।ঘুমিয়ে গেছে পুরো পৃথিবী, কোথাও কেউ জেগে নেই শুধু নিশাচর এই আমি ছাড়া। আর তুমি ?তুমি আজ অন্য কারো বুকে মাথা রেখে নিদ্রা যাও পরম পুলকে! নাকি তোমারও মাঝে মাঝে মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় কোন চিরচেনা অথচ অজানা কোন ব্যথায়। আজ আমার কবিতারা প্রায়শ:ই ছন্দ হারায়। কেউ না জানুক কার স্মরণে,কেউ না জানুক কোন কারণে এই বিষন্নতা,এই বিঘ্নতা, এই স্থবিরতা।কেউ না জানুক কোন হতাশায় আমার দিবানিশি কেঁটে যায় নিরবে- নিভৃতে।তবুও তো জীবন অতিবাহিত হয় স্রোতস্বিনী নদীর ন্যায়,কেঁদে যায়,চলে যায় জীবনের নিয়মে। শিশিরের কণা সমৃদ্ধ তোমার হাসি আর মনোলভা দৃষ্টি এবং মায়াবী ছলনার মোহে আমি আজও মোহবীষ্ট। যে আমার জনম জনমের চেনা সেই তোমাকে আগুনের দিনের শেষে যখন ফাগুনেরা আবার আসতে শুরু করবে আমার জীবনে তাদেরকে সাথে নিয়েই ঝর্ণার গান গাইব তোমার সম্মূখে। কভূ জানতে না,জানতেও চাওনি তোমাকে কত ভালোবাসি। যদি কভূ জানতে পার তখন হয়ত নির্বাক নয়নে স্মৃতি হাতড়ে বেড়াবে, খুঁজতে চাইবে পথ ভোলা সে সুখকে। তোমার নয়ন গড়িয়ে পড়া অশ্রু জল বলবে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে- “একবার যদি কেউ ভালোবাসত!