১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আবু উবায়দা: প্রতিরোধের বজ্রনাদ লিখেছেন কবি নাইম আহমাদ মুআয
গাযার ধূলিমলিন অলি-গলির মাঝে, যেথায় নিত্যদিন নব রক্ত ঝরে, বৃদ্ধ, শিশুর রক্তের স্রোতে মানবতা ভেসে, তবু প্রতিরোধ জ্বলে
এ সময় ফুরিয়ে যাবে কবিতাটি লিখছেন লেখিকা শ্যামলী হক
এ সময় ফুরিয়ে যাবে, একদিন আযানের সুরে ভোর হবে শেষবার, ঘড়ির কাঁটা থেমে যাবে, কিন্তু কবরের নিস্তব্ধতা বলবে-
বিদ্রোহী সুরের জয়গান কবিতাটি লিখছেন কবি ও লেখিকা জন্নাতুল ফেরদৌস রিফা
কাজী নজরুল আমার প্রিয় কবি, গাহি তাঁর সাম্যের গান, তাঁর ছন্দে লেখা শত পঙক্তি হৃদয়ে তোলে সুর অফুরান। দ্রোহের কবি-প্রেমের
“মহারাণী তুমি” কবিতাটি লিখছেন কবি রকিবুল ইসলাম।
মহারাণী তুমি সাঁঝের বাঁতি,ঊষার রাঙা আভা। কভু তুমি আবার গোধূলি লগনে ঈঁঁষৎ আলোর রেখা। মহারাণী তুমি কাক ডাকা
কাদিয়ানীরা কাফের কবিতাটি লিখছেন লেখিকা ও সম্পাদিকা নাজমিন জান্নাত মারজান
বিশ্বনবীর পরে আসবে না কোনো নবী, এই কথা স্বয়ং আমার প্রভুর বাণি। বাতিলদের কাছে কখনো মাথা নত হয় না,
তোমার অপেক্ষায় কবিতাটি লিখছেন লেখিকা লেখায় ফাহিমা জন্নাত পুস্পা
তোমার নামে সন্ধ্যা নামে, নিঃশব্দে ছুটে আসে রজনী, তোমার নামে ডাকে কোকিল , কুহু কুহু করে মধুর কন্ঠে তুমি নেই
সেল নম্বর ৪০৮ কবিতাটি লিখছেন লেখিকা ফারহানা খানম অনন্যা
সেল নম্বর ৪০৮ আমার বর্তমান ঠিকানা। এখানে আছি বোধহয় বছর সাতেক হবে। আমার অপরাধ __ দারিদ্রতা! আমার অপরাধ __
নাইওর কবিতাটি লিখছেন কবি মো সাব্বির হোসেন জয়
ঢাকের বাজনা মাঠের পারে, ভাইটি এল রঙিন রথে, মায়ের চোখে অশ্রু ঝরে নাইওরের দিন এলো হঠে। বউঘর মেয়ে লাজে
বৃদ্ধ মায়ের পা কবিতাটি লিখছেন কবি আব্দুল কাদের
আঁকা-বাঁকা মেঠো পথে ঘোরে গাড়ির চাকা, জীবন নামের রেল গাড়িটা সামনের দিকটা বাঁকা। ছুটতে ছুটতে চললো গাড়ি কদম তলা
অবহেলা কবিতাটি লিখছেন লেখিকা ফারহানা খানম অনন্যা
®সরলকাব্য ©হুম, বল__ ® কাব্য্য্য__ ©হুমমম;শুনছি তো! ©আচ্ছা কাব্য, পৃথিবীতে আজকাল সত্যিই স্বচ্ছ, স্বার্থহীন ভালোবাসা নেই। ®তাহলে মাতৃত্ব কে
















