আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“মহারাণী তুমি” কবিতাটি লিখছেন কবি রকিবুল ইসলাম।

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

২৪৫

 

 

মহারাণী তুমি সাঁঝের বাঁতি,ঊষার রাঙা আভা।
কভু তুমি আবার গোধূলি লগনে ঈঁঁষৎ আলোর রেখা।
মহারাণী তুমি কাক ডাকা ভোরে কিঁচিরমিচির রবে আহারের সন্ধানে পাখিদের গৃহ ত্যাগের মিছিল,
কখনো আবার তুমি নাড়ির টানে তাদের নীঁড়ে ফেরার আকুতি প্রবল।
মহারাণী তুমি প্রকাশ্য দিবা’র আলোয় সহাস্য মহিয়সি ললনার প্রাণচঞ্চল বিচরণ,
সেই তুমিই আবার রজনীর পিনপতন নীরবতায় প্রগাঢ় অভিমানের দেয়াল ভেঙে শুধুই ভালোবাসা-বাসিতে স্বীয় সত্ত্বাকে সপে দেওয়ার অবগাহন।
মহারাণী তুমি কভু প্রেমিকা,স্ত্রী রুপী গৃহ পরিচারিকা,
কখনো আবার তুমি অপার মহিমায় ভাস্বর মমতাময়ী-“মাতা!”
মহারাণী তুমি নির্যাতিত,নিপীড়িত জাতির
নিগৃহীত,শৃঙ্খলিত জীবনাবসানের প্রেরণাদাত্রী আহবান,
কখনো তুমি আবার যুদ্ধবিদ্ধস্ত জাতির
সবকিছু গুছিয়ে আবার নতুন শুরুর প্রত্যয়।
মহারাণী তুমি করতে পার শুধুই অবহেলা,
সেই তুমিই আবার উল্টো রথে চড়ে
মহাসুখে জ্বালাতে পার মঙ্গল দ্বীপ,
ভাসাতে পার আশার ভেলা।
মহারাণী তুমি কভু প্রগাঢ় অভিমান,
কখনো বা আবার সবকিছু ভুলে
শুধুই ভালোবাসাতে হও মহীয়ান।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

“মহারাণী তুমি” কবিতাটি লিখছেন কবি রকিবুল ইসলাম।

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৪৯:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
২৪৫

 

 

মহারাণী তুমি সাঁঝের বাঁতি,ঊষার রাঙা আভা।
কভু তুমি আবার গোধূলি লগনে ঈঁঁষৎ আলোর রেখা।
মহারাণী তুমি কাক ডাকা ভোরে কিঁচিরমিচির রবে আহারের সন্ধানে পাখিদের গৃহ ত্যাগের মিছিল,
কখনো আবার তুমি নাড়ির টানে তাদের নীঁড়ে ফেরার আকুতি প্রবল।
মহারাণী তুমি প্রকাশ্য দিবা’র আলোয় সহাস্য মহিয়সি ললনার প্রাণচঞ্চল বিচরণ,
সেই তুমিই আবার রজনীর পিনপতন নীরবতায় প্রগাঢ় অভিমানের দেয়াল ভেঙে শুধুই ভালোবাসা-বাসিতে স্বীয় সত্ত্বাকে সপে দেওয়ার অবগাহন।
মহারাণী তুমি কভু প্রেমিকা,স্ত্রী রুপী গৃহ পরিচারিকা,
কখনো আবার তুমি অপার মহিমায় ভাস্বর মমতাময়ী-“মাতা!”
মহারাণী তুমি নির্যাতিত,নিপীড়িত জাতির
নিগৃহীত,শৃঙ্খলিত জীবনাবসানের প্রেরণাদাত্রী আহবান,
কখনো তুমি আবার যুদ্ধবিদ্ধস্ত জাতির
সবকিছু গুছিয়ে আবার নতুন শুরুর প্রত্যয়।
মহারাণী তুমি করতে পার শুধুই অবহেলা,
সেই তুমিই আবার উল্টো রথে চড়ে
মহাসুখে জ্বালাতে পার মঙ্গল দ্বীপ,
ভাসাতে পার আশার ভেলা।
মহারাণী তুমি কভু প্রগাঢ় অভিমান,
কখনো বা আবার সবকিছু ভুলে
শুধুই ভালোবাসাতে হও মহীয়ান।