
ঢাকের বাজনা মাঠের পারে,
ভাইটি এল রঙিন রথে,
মায়ের চোখে অশ্রু ঝরে
নাইওরের দিন এলো হঠে।
বউঘর মেয়ে লাজে মোড়া,
শৈশব স্মৃতি বুকের কোরা,
দুলছে সখী খুশির সুরে—
ঝরছে চোখে মমতা ভরে।
তালগাছ তলে খেলেছিল যে,
ছোট্ট বেলা দৌড়েছিল যে,
আজ সে মেয়ে সংসারিনী—
স্মৃতির ডালি করে বরণী।
ভাইয়ের কণ্ঠে ভাটিয়ালি গান,
ডাকে যেন নদীর টান,
চাঁদের আলো খালের জলে—
জাগায় ছবি অতীত তলে।
মায়ের কোলে আঁচল ভেজে,
বাবার বুকে ব্যথা বেঁধে,
“মেয়ে আমার পরের ঘরে,
তবু সে রবে আঁচল তলে।”
লোকগীতি গায় বধূরা মিলে,
“নাইওরে যাইমু মায়ের কূলে,”
সুরের সাথে নদী বাজে—
আকাশ ভরে আনন্দ সাঝে।
ইতিহাসের এ চলন ধারা,
গ্রামের রীতি শতাব্দি ধরা,
নাইওর যেন উৎসব-গাথা,
ভালোবাসার এক মহাকাব্যপাঠ।
স্বামীর ঘরেও সুখের দীপ,
তবু বাবার ঘর অমৃতস্নিগ্ধ,
নাইওরের ওই টানকে নিয়ে,
মানবহৃদয় চিরকাল বেঁধে।
মোঃ তানজিমুল ইসলাম (প্রতিষ্টাতা) বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ ও স্বপ্ন রক্ত সেবা ফাউন্ডেশন 
















