১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রিজিক কবিতাটি লিখছেন কবি রকিবুল ইসলাম
রিজিক তোমার নির্ধারিত, পারেনা কেউ করতে খন্ডিত। আসবেই তা আমার ছিল যা, আসেনি যা কভু আমার হবে না। বৃথায়ই
স্মৃতির পথে অভ্যুত্থান কবিতাটি লিখেছেন কবি ও লেখক মোহাম্মদ হারুপ ইসলাম তোহা
সেদিন মনে পড়ে, রাস্তায় নেমেছিলাম সবাই, ছাত্র-জনতার স্রোতে বেঁধেছিলাম এক অটুট দায়। স্লোগানে স্লোগানে কেঁপে উঠেছিল শহরের পথ, স্বাধীনতার
শৈশবের সৃতি লিখেছেন লেখিকা ফাহিমা জন্নাত পুস্পা
ফিরে যেতে চাই সেই শৈশবের দিনে, যেখানে হাসি ফুটত সকাল বিকেল ক্ষণে। ছোট্ট আমি দৌড়াতাম মাঠের ধুলায়, লুকোচুরি খেলতাম বন্ধুদের
পূর্ণ পরিস্কার কবিতাটি লিখছেন কবি মোহাম্মদ সহিদুল আলম
জীবন একটি, আর কতটা দিন বাঁচবে তা সকলের অজানা। তবুও মানুষে মানুষে অশান্তি আর গন্ডগোল চলছে চলমান। আমাদের সবচেয়ে
ভাইয়ার স্মরণে কবিতাটি লিখছেন লেখিকা ও সম্পাদিকা নাজমিন জান্নাত মারজান
জানো ভাইয়া আজ তোমাকে ভীষণ মনে পড়ছে, আমাদের ছেড়ে পারি দিলে না ফেরার দেশে। কি করে ভুলে থাকি তোমায়
ক্যাম্পাসের প্রেম কবিতাটি লিখছেন কবি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রায়হান আপন
এই মেসটা এখন শুধু চারটা দেয়াল না, মনে হয়—পুরনো প্রেমের কবরস্থান। সবাই ঘুমায়, আমি বসে থাকি জানালার পাশে, এক
ক্যাম্পাসের প্রেম – রায়হান আপন
এই মেসটা এখন শুধু চারটা দেয়াল না, মনে হয়—পুরনো প্রেমের কবরস্থান। সবাই ঘুমায়, আমি বসে থাকি জানালার পাশে, এক কাপ
“আমার চাঁদ, আমার জন্ম” কবিতাটি লিখছেন কবি সাহেলা রিমু
আমি জানি, চাঁদ এক উপগ্রহ, তবু সে যেন আমারই প্রতিচ্ছবি — কারও আলো ধার করে নিজেকে পুরোপুরি সত্যি মনে
নভেম্বরের কুয়াশা কবিতাটি লিখছেন কবি মোঃ রাজু ইসলাম/ বিষাদের কবি
মাথার ভেতর কুয়াশার মতো ঘোর, হেমন্তের অলস দুপুরে রক্ত ঝরে যায় ঘাম হয়ে। মাইগ্রেনের অসহ্য ব্যথায় পুড়তে থাকে পুরোনো স্মৃতি,
















