
রাজধানীতে আন্তর্জাতিক কবি ও গুণিজন সংবর্ধনা ও এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
মাসুদ মাহাতাব,ঢাকা
ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ — সাহিত্য, গবেষণা ও মানবিক মূল্যবোধে অবদানের স্বীকৃতি প্রদানকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক কবি ও গুণিজন সংবর্ধনা ও এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান। আন্তর্জাতিক কবি ও সাহিত্যিক পরিষদের উদ্যোগে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে দেশের বরেণ্য কবি, গবেষক, শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও সমাজচিন্তকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান কবি, গবেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক, প্রখ্যাত কবি ও গবেষক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “একটি জাতির মনন ও চিন্তার ভিত গড়ে ওঠে সাহিত্য ও সংস্কৃতির মধ্য দিয়েই। গুণিজনদের সম্মাননা জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আলোকিত করার পথ দেখায়।”
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি ও বিশ্লেষক অধ্যাপক অনিক রহমান বুলবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব রানা জামান, অধ্যাপক নাসির উদ্দীন মাহমুদ, বরেণ্য কবি কাজী আলম ভূঁইয়া এবং সাহিত্যিক **মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (আনোয়ার ফারুক)**সহ বিশিষ্ট গুণিজনরা।
অনুষ্ঠানে সাহিত্য ও সমাজে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গ্রন্থ সম্মাননা, আবৃত্তি সম্মাননা, জুলাই বিপ্লব–২৪ সেরা লেখক সম্মাননা, সেরা সংগঠক সম্মাননা, মানবতার কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ সম্মাননা, সাহিত্যে ঈর্ষণীয় অবদানের স্বীকৃতি এবং গবেষণা, সংস্কার ও রাষ্ট্রচিন্তায় অসাধারণ ভূমিকার জন্য মোট ১০৭ জন গুণিজনকে সংবর্ধনা ও এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়াও অনুষ্ঠানের এক আবেগঘন পর্বে শহীদ শরীফ ওসমান হাদী, মুগ্ধ, আবরার ফাহাদ, জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদ এবং আহত ও অসুস্থ বিপ্লবী যোদ্ধাদের রুহের মাগফিরাত ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানটি সাহিত্য ও মানবিক চেতনায় সমৃদ্ধ এক ঐতিহাসিক মিলনমেলায় পরিণত হয়, যা উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে গভীর অনুপ্রেরণা ও দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করে।
Reporter Name 




















