
ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
সাহিত্য, সৃজনশীলতা ও নতুন লেখকদের স্বপ্নপূরণের এক অনন্য অভিযাত্রা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
স্বপ্ন ২৪ ডেস্ক:
বাংলা সাহিত্য ও প্রকাশনা জগতের একটি সুপরিচিত ও সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী তার গৌরবময় পথচলার আরেকটি বছর সফলভাবে অতিক্রম করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আনন্দঘন উপলক্ষে সাহিত্যপ্রেমী, লেখক, কবি, পাঠক, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মীদের মাঝে বই ও সাহিত্যকে কেন্দ্র করে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।
সাহিত্য কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি একটি জাতির চিন্তা, চেতনা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির প্রতিফলন। আর সেই সাহিত্যকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী সেই মহান দায়িত্ব নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সাহিত্যপ্রেমের সঙ্গে পালন করে আসছে।
প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা নাসিম প্রাং-এর দূরদর্শী চিন্তা, সাহিত্যপ্রেম এবং সৃজনশীল উদ্যোগের মধ্য দিয়ে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনীর যাত্রা শুরু হয়। বাংলা সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করা, নতুন লেখকদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা এবং মানসম্পন্ন গ্রন্থ প্রকাশের লক্ষ্য নিয়েই তিনি এই প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। আজ তাঁর সেই স্বপ্ন ধীরে ধীরে একটি বৃহৎ সাহিত্যিক পরিবারে পরিণত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী অসংখ্য কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, গবেষণাগ্রন্থ, যৌথ কাব্যগ্রন্থ এবং শিশু-কিশোর সাহিত্য প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে নবীন লেখকদের সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশের সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
প্রকাশনীর এই সফল অগ্রযাত্রায় শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ এক বিবৃতিতে জানায়, “সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নতুন লেখকদের উৎসাহ প্রদান এবং মানসম্মত গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে তারা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা নাসিম প্রাংসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ তানজিমুল ইসলাম বলেন,
“একটি জাতির মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে সাহিত্য অপরিহার্য। আর সেই সাহিত্যকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী সেই দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করে চলেছে। তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।”
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন লেখক ও সাহিত্যকর্মীরাও শুভেচ্ছা ও অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
সাধারণ সম্পাদক আবু রিসাত উৎস বলেন,
“ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী বহু নতুন লেখকের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। তাদের এই সাহিত্যসেবা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকুক।”
প্রধান উপদেষ্টা ইশতিয়াক আহমেদ বলেন,
“ভালো সাহিত্যচর্চার জন্য ভালো প্রকাশনা অপরিহার্য। ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী সেই দায়িত্ব অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করছে।”
সহ-সম্পাদক মুহাম্মদ কাউছার আলম রবি বলেন,
“নতুন লেখকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল হিসেবে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী ইতোমধ্যে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছে।”
প্রকাশনা সহকারী মীর ফয়সাল নোমান বলেন,
“বই মানুষের চিন্তাকে সমৃদ্ধ করে। সেই বই পাঠকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনীর ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার।”
সাহিত্যিক আবুল কালাম আজাদ বলেন,
“একটি ভালো প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কেবল বই ছাপে না, বরং লেখক তৈরি করে। ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী সেই কাজটি সফলভাবে করে যাচ্ছে।”
সাহিত্যকর্মী রওনক জাহান বলেন,
“নবীন ও প্রবীণ লেখকদের একসঙ্গে নিয়ে সাহিত্যচর্চার যে পরিবেশ সৃষ্টি করেছে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী, তা সত্যিই অনুকরণীয়।”
সাহিত্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মনে করেন, বর্তমান সময়ে পাঠাভ্যাস ও সাহিত্যচর্চাকে বেগবান করতে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী তার কার্যক্রম, সাহিত্যপ্রেম এবং লেখকবান্ধব মনোভাবের মাধ্যমে সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে সাহিত্যাঙ্গনের সকলের প্রত্যাশা—ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী আগামী দিনগুলোতেও সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার আলো ছড়িয়ে দেবে, নতুন লেখকদের পাশে থাকবে এবং বাংলা সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ ও স্বপ্ন ২৪ ডট কম পরিবারের পক্ষ থেকে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও শুভকামনা। সাহিত্য ও সৃজনশীলতার এই অগ্রযাত্রা হোক আরও দীর্ঘ, আরও সমৃদ্ধ এবং আরও গৌরবময়।
Reporter Name 




















