আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“স্বপ্নের মায়া” গল্পটি লিখেছেন সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ তানজিমুল ইসলাম

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯৯ পড়া হয়েছে
২৭৭

“স্বপ্নের মায়া”

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ,
প্ল্যাটফর্মটি ছিল ঠিক এক সন্তানের মতো।
মমতায়, পরিশ্রমে, ভালোবাসায় আমি তাকে লালন করেছি।
যেমন একজন মা সন্তানের হাত ধরে আগলে রাখে,
তেমনি আমি দিনশেষের ক্লান্তি ভুলে তাকে বড় করেছি।

প্রথম দিকে সবাই পাশে ছিল,
আশা, স্বপ্ন আর একসাথে পথ চলার প্রতিশ্রুতিতে ভরপুর।
আমি ভাবতাম, এরা আমার আপন,
এরা আমার পরিবারের মানুষ।

কিন্তু সময় বদলালো।
যাদের আপন ভেবেছিলাম,
যাদের জন্য হৃদয় উজাড় করে কাজ করেছি,
তারা একে একে দূরে সরে গেল।
কেউ নীরবে, কেউ আঘাত দিয়ে,
তবুও আমি থামিনি, কারণ মা কখনো থামে না।

কিন্তু কতটা সহ্য করা যায়?
বারবার অবহেলা, অবজ্ঞা, ভুল বোঝাবুঝি…
প্রতিদিনই যেন বুকে এক চিলতে ব্যথা জমে থাকতে লাগল।

শেষমেশ একদিন মনে হলো,
“শুধু আমি একাই কেন এই বোঝা বইব?
যদি সবাই চলে যায়, তাহলে এই প্ল্যাটফর্ম বাঁচিয়ে রেখে লাভ কী?”

ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়লাম।
হতাশা এসে কাঁধে হাত রাখল।
অবহেলার বোঝা টেনে টেনে
একসময় মনে হলো,

“হয়তো আমাকে থেমে যেতে হবে…
হয়তো একদিন এই প্রিয় প্ল্যাটফর্মটিকেও বন্ধ করে দিতে হবে।”

স্বপ্নের মতো করে গড়া এই আশ্রয়টি বন্ধ করার ভাবনায়
হৃদয়টা কেঁপে উঠল।
কিন্তু সত্য,
একলা মানুষের যাত্রা অনেক কঠিন।

তবুও গল্পের শেষ এখানেই নয়,
কারণ সত্যিকারের স্বপ্ন কখনো মরে না।
যদি কেউ ফিরে আসে, যদি কেউ সত্যিই পাশে দাঁড়ায়,
তাহলে এই প্ল্যাটফর্ম আবারও জেগে উঠবে,
ঠিক মায়ের সন্তানের প্রতি অবিচ্ছেদ্য ভালোবাসার মতো।

স্বপ্ন ভাঙলেও স্বপ্নের মায়া থেকে যায়।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

“স্বপ্নের মায়া” গল্পটি লিখেছেন সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ তানজিমুল ইসলাম

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
২৭৭

“স্বপ্নের মায়া”

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ,
প্ল্যাটফর্মটি ছিল ঠিক এক সন্তানের মতো।
মমতায়, পরিশ্রমে, ভালোবাসায় আমি তাকে লালন করেছি।
যেমন একজন মা সন্তানের হাত ধরে আগলে রাখে,
তেমনি আমি দিনশেষের ক্লান্তি ভুলে তাকে বড় করেছি।

প্রথম দিকে সবাই পাশে ছিল,
আশা, স্বপ্ন আর একসাথে পথ চলার প্রতিশ্রুতিতে ভরপুর।
আমি ভাবতাম, এরা আমার আপন,
এরা আমার পরিবারের মানুষ।

কিন্তু সময় বদলালো।
যাদের আপন ভেবেছিলাম,
যাদের জন্য হৃদয় উজাড় করে কাজ করেছি,
তারা একে একে দূরে সরে গেল।
কেউ নীরবে, কেউ আঘাত দিয়ে,
তবুও আমি থামিনি, কারণ মা কখনো থামে না।

কিন্তু কতটা সহ্য করা যায়?
বারবার অবহেলা, অবজ্ঞা, ভুল বোঝাবুঝি…
প্রতিদিনই যেন বুকে এক চিলতে ব্যথা জমে থাকতে লাগল।

শেষমেশ একদিন মনে হলো,
“শুধু আমি একাই কেন এই বোঝা বইব?
যদি সবাই চলে যায়, তাহলে এই প্ল্যাটফর্ম বাঁচিয়ে রেখে লাভ কী?”

ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়লাম।
হতাশা এসে কাঁধে হাত রাখল।
অবহেলার বোঝা টেনে টেনে
একসময় মনে হলো,

“হয়তো আমাকে থেমে যেতে হবে…
হয়তো একদিন এই প্রিয় প্ল্যাটফর্মটিকেও বন্ধ করে দিতে হবে।”

স্বপ্নের মতো করে গড়া এই আশ্রয়টি বন্ধ করার ভাবনায়
হৃদয়টা কেঁপে উঠল।
কিন্তু সত্য,
একলা মানুষের যাত্রা অনেক কঠিন।

তবুও গল্পের শেষ এখানেই নয়,
কারণ সত্যিকারের স্বপ্ন কখনো মরে না।
যদি কেউ ফিরে আসে, যদি কেউ সত্যিই পাশে দাঁড়ায়,
তাহলে এই প্ল্যাটফর্ম আবারও জেগে উঠবে,
ঠিক মায়ের সন্তানের প্রতি অবিচ্ছেদ্য ভালোবাসার মতো।

স্বপ্ন ভাঙলেও স্বপ্নের মায়া থেকে যায়।