আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“হারানো শৈশব” কবিতাটি লিখছেন সাকিবুল ইসলাম।

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:১৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ৩৯৫ পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

৪৪৫

হারানো শৈশব!
মোহা: সাকিবুল ইসলাম।

চকোলেটের কাগজে মুড়ে আছে

সোনালী শৈশব।

বৈশাখী  মৌসুমে আমের মুকুলে

বৃষ্টি  ভিজে সব।

‎গ্রামের আঁকাবাঁকা  পথের ধূলো

আজও উড়ে মনে।

ছোট বন্ধুদের    একসাথে খেলা

মার্বেলগুলো হয় স্মরণে।

‎পাতার টাকার কাড়াকাড়ি করা

মায়াময় অনুভূতি।

স্কুল  ছুটিতে দৌড়ে বাড়ি  আসা

সবই শুধু স্মৃতি।

বাবার কাছে শখের বস্তু কিনার

বিনিত আবদার।

দোকানের চিপসের লালসরুচি

মনে হয় বারবার।

‎প্রতি-জুমায়  মসজিদে তবারক

নেওয়ার কলাপাতা।

ফিরে যাই পিছনের সুন্দরমূহুর্তে

মিলায় রাঙ্গাছাতা।

‎দাদা- দাদুর হাতের লাঠির  ভড়

হাসিমাখা মুখ।

সন্ধ্যার মুখে হারিকেন কুপিবাতি

লুকিয়েছে চোখ।

‎মায়ের চাদরে মাথা গুছে ঘুমান

হাসিরগল্প শুনা।

ভাই বোনদের  আদরের ডাকে

এই কই লক্ষি-সোনা।

‎বিকেলে লাল সূর্যকে দেখে বলা

তার বাড়ি কই?

ঈদের মার্কেট হাতে পেয়ে খুশিতে

বিশাল হৈ চৈ।

‎আজ শুধু আফসোসটাই বাকি

স্মৃতির করিডর।

তাকিয়ে থাকি একেবারে নিস্তব্ধ

ভাবনা নির্ভর।

‎লম্বা গল্প পড়ে আছে জিবনমেলা

না বলা,না পড়া।

সে দিনরাতের আগমন হয়েছে গত

দেয়না আর ধরা।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

“হারানো শৈশব” কবিতাটি লিখছেন সাকিবুল ইসলাম।

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:১৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
৪৪৫

হারানো শৈশব!
মোহা: সাকিবুল ইসলাম।

চকোলেটের কাগজে মুড়ে আছে

সোনালী শৈশব।

বৈশাখী  মৌসুমে আমের মুকুলে

বৃষ্টি  ভিজে সব।

‎গ্রামের আঁকাবাঁকা  পথের ধূলো

আজও উড়ে মনে।

ছোট বন্ধুদের    একসাথে খেলা

মার্বেলগুলো হয় স্মরণে।

‎পাতার টাকার কাড়াকাড়ি করা

মায়াময় অনুভূতি।

স্কুল  ছুটিতে দৌড়ে বাড়ি  আসা

সবই শুধু স্মৃতি।

বাবার কাছে শখের বস্তু কিনার

বিনিত আবদার।

দোকানের চিপসের লালসরুচি

মনে হয় বারবার।

‎প্রতি-জুমায়  মসজিদে তবারক

নেওয়ার কলাপাতা।

ফিরে যাই পিছনের সুন্দরমূহুর্তে

মিলায় রাঙ্গাছাতা।

‎দাদা- দাদুর হাতের লাঠির  ভড়

হাসিমাখা মুখ।

সন্ধ্যার মুখে হারিকেন কুপিবাতি

লুকিয়েছে চোখ।

‎মায়ের চাদরে মাথা গুছে ঘুমান

হাসিরগল্প শুনা।

ভাই বোনদের  আদরের ডাকে

এই কই লক্ষি-সোনা।

‎বিকেলে লাল সূর্যকে দেখে বলা

তার বাড়ি কই?

ঈদের মার্কেট হাতে পেয়ে খুশিতে

বিশাল হৈ চৈ।

‎আজ শুধু আফসোসটাই বাকি

স্মৃতির করিডর।

তাকিয়ে থাকি একেবারে নিস্তব্ধ

ভাবনা নির্ভর।

‎লম্বা গল্প পড়ে আছে জিবনমেলা

না বলা,না পড়া।

সে দিনরাতের আগমন হয়েছে গত

দেয়না আর ধরা।