আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামে নারীদের মর্যাদা ও অধিকার। লেখিকা :শুহাদা বিনতে জিতু মিয়া

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • ১১৬ পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

১৫৬

ইসলামে নারীদের মর্যাদা ও অধিকার।
লেখিকা :শুহাদা বিনতে জিতু মিয়া

 

ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইসলাম দিয়েছে শান্তি ও সাম্যের বিধান। একমাত্র ইসলামই দিয়েছে নারীদের প্রকৃত নিরাপত্তা, সঠিক মর্যাদা ও যথোপযুক্ত অধিকার। যা অন্য কোনো ধর্মে নেই। আর বর্তমানে তো অধিকারের নামে পাশ্চাত্যবাদীরা প্রতিনিয়ত নারীদের মর্যাদা ও অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করছে খুবই সুকৌশলে। আর কিছু নামধারী সুশীল নারীবাদীরা তাদের এই কুচক্রান্তকে নারী স্বাধীনতা হিসেবে গ্রহণ করে অনবরত নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছে, অথচ তারা জানেই না নারীর প্রকৃত মর্যাদা ঠিক কিসের মাঝে বিদ্যমান রয়েছে।
মর্যাদা শব্দের অর্থ সম্ভ্রম, সম্মান। সুতরাং নারী মর্যাদা মানে নারীদেরকে সঠিক সম্মান প্রদান করা। আর তা একমাত্র ইসলাম নারীদেরকে প্রদান করেছে। আমরা ইতিহাস ঘাটলে দেখব, ইসলামের আগমনের পূর্বে নারী জাতি ছিল সবচেয়ে নির্যাতিত। তাদেরকে উপভোগ্যের পণ্য হিসেবে গণ্য করা হতো। নিজ পিতা হত্যা করত স্বীয় কন্যাকে অভিশাপ মনে করে।
কিন্তু ইসলামের আগমনে এসব কিছু দূরিভূত হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা পুরুষদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
আরবি:
هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ
বাংলা অর্থ:
“তারা (তোমাদের স্ত্রীগণ) তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক।”
যেখানে নারীদেরকে হত্যা করা হতো, সেখানে ইসলাম তাদেরকে বানিয়েছে পুরুষের পোশাক সদৃশ। যা অন্য কোনো ধর্মে ব্যক্ত করা হয়নি। অতএব ইসলামই প্রদান করেছে নারীদের সঠিক মর্যাদা।
নারী অধিকার অর্থ একজন নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও ন্যায্য সুযোগ পাওয়ার অধিকার। আর তা ইসলাম কতটুকু নিশ্চিত করেছে, তার আগে অন্য ধর্মে নারীদের অধিকারগুলো সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো—
হিন্দু ধর্মে : নারীদেরকে তাদের প্রতিমার জন্য বলী দেওয়া হতো এবং এ ধর্মে সতীদাহের মতো জঘন্যতম প্রথা প্রচলিত ছিল। এছাড়াও এ ধর্মে নারীরা পিতার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত। হিন্দু ধর্মে নারীদের নিচু ও অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখা হতো। এ দিকে ইঙ্গিত করেই Professor India গ্রন্থে বলা হয়েছে, There is no creature more sinful than woman. Woman is burning fire. She is the sharp edge of the razor; she is verily all there in a body. অর্থাৎ ‘নারীর ন্যায় এত পাপ-পঙ্কিলতাময় প্রাণী জগতে আর নেই। নারী প্রজ্জ্বলিত অগ্নি স্বরূপ। সে ক্ষুরের ধারালো দিক। এই সমস্তই তার দেহে সন্নিবিষ্ট’।[1] নারীদের প্রতি ঘৃণাভরে বলা হয়েছে, Men should not love their women অর্থাৎ ‘নারীদেরকে ভালোবাসা পুরুষদের উচিত নয়’।
বৌদ্ধ ধর্মে : নারীরাই হচ্ছে সকল পাপের কারণ—এটাই ছিল বৌদ্ধদের অন্ধবিশ্বাস। এ সম্পর্কে ঐতিহাসিক ওয়েস্টমার্ক বলেন, Women are of all the snares which the tempter has spread for man, the most dangerous; in woman are embodied all the powers of infatuation which blind the mind of the world. অর্থাৎ ‘মানুষের জন্য প্রলোভনের যতগুলো ফাঁদ বিস্তার করে রাখা হয়েছে, তন্মধ্যে নারীই সর্বাপেক্ষা বিপজ্জনক। নারীর মধ্যে সকল মোহিনী শক্তি অঙ্গীভূত হয়ে আছে, যা সমস্ত বিশ্বের মনকে অন্ধ করে দেয়’।
ইহুদী ধর্মে : ‘সতী নারীর চেয়ে পাপিষ্ঠ পুরুষও শতগুণে ভালো’।[4] তারা নারীকে পাপ ও মন্দের মূল কারণ হিসেবে গণ্য করেছে।
খ্রিষ্টান ধর্মে : খ্রিষ্টধর্ম মতে নারীরাই নরকের প্রবেশদ্বার। সপ্তদশ শতাব্দীতে ‘কাউন্সিল অব দ্য ওয়াইজ’-এর অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়— Woman has no soul অর্থাৎ ‘নারীর কোনো আত্মা নেই’।
চীন সভ্যতায় : চীন দেশের নারীদের অবস্থার বিবরণে কোনো এক চীনা নারী বলেন, ‘মানব সমাজে নারীদের স্থান সর্বনিম্নে। অদৃষ্টের কী নির্মম পরিহাস! নারী সর্বাপেক্ষা হতভাগ্য প্রাণী। জগতে নারীর মতো নিকৃষ্ট আর কিছু নেই’।
গ্রীক সভ্যতায় : গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিস বলেন, Woman is the greatest source of chaos and disruption in the world অর্থাৎ ‘নারী জগতে বিশৃঙ্খলা ও ভাঙনের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎস’।
রোম সভ্যতায় : রোম সভ্যতায় পরিবারের নেতা ও পরিচালক পিতা বা স্বামী নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের ওপর নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী ছিল। তারা যখন ইচ্ছা তখনই নারীকে ঘর থেকে বহিষ্কার করে দিত।
ইসলামে নারীর অধিকার :
নারীদেরকে নিকৃষ্ট সত্তা হিসেবে গণ্য করে তাদেরকে হত্যার যে রীতি প্রাক্‌যুগ থেকে চলে আসছিল, এর অবসান কেবল ইসলামের আগমনেই হয়েছে।
وَإِذَا الْمَوْءُودَةُ سُئِلَتْ
بِأَيِّ ذَنبٍ قُتِلَتْ
বাংলা অর্থ :
“আর যখন জীবন্ত কবর দেওয়া কন্যাশিশুকে জিজ্ঞেস করা হবে—
কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল?”
নারীদের সাথে সদয় আচরণ করার জন্য আল্লাহ তায়ালা বলেন—
আরবি :
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ
অর্থ :
“আর তোমরা নারীদের সাথে উত্তমভাবে জীবনযাপন কর।”
ধন-সম্পত্তিতেও নারীদেরকে পুরুষের ন্যায় প্রাপ্য প্রদান করেছে একমাত্র ইসলাম। আল্লাহ তায়ালা বলেন—
নারীদের সম্পদের অধিকার
আরবি :
وَلَا تَتَمَنَّوْا مَا فَضَّلَ اللّٰهُ بِهِ بَعْضَكُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ ۚ لِلرِّجَالِ نَصِيبٌ مِّمَّا اكْتَسَبُوا وَلِلنِّسَاءِ نَصِيبٌ مِّمَّا اكْتَسَبْنَ ۚ وَاسْأَلُوا اللّٰهَ مِن فَضْلِهِ ۗ إِنَّ اللّٰهَ كَانَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا
বাংলা অর্থ :
“তোমরা একে অপরের উপর আল্লাহ যা দ্বারা কাউকে অধিক মর্যাদা দিয়েছেন তা কামনা করো না। পুরুষরা যা অর্জন করে তার অংশ তাদের জন্য এবং নারীরা যা অর্জন করে তার অংশ তাদের জন্য। আর তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।”
নারীদেরকে ইভটিজিং ও ধর্ষণের মতো জঘন্যতম পাপের হাত থেকে রক্ষা করতে ইসলাম দিয়েছে পর্দার বিধান। সর্বোপরি একমাত্র ইসলামই সার্বিকভাবে নারীকে প্রদান করেছে তার প্রকৃত অধিকার।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

ইসলামে নারীদের মর্যাদা ও অধিকার। লেখিকা :শুহাদা বিনতে জিতু মিয়া

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
১৫৬

ইসলামে নারীদের মর্যাদা ও অধিকার।
লেখিকা :শুহাদা বিনতে জিতু মিয়া

 

ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইসলাম দিয়েছে শান্তি ও সাম্যের বিধান। একমাত্র ইসলামই দিয়েছে নারীদের প্রকৃত নিরাপত্তা, সঠিক মর্যাদা ও যথোপযুক্ত অধিকার। যা অন্য কোনো ধর্মে নেই। আর বর্তমানে তো অধিকারের নামে পাশ্চাত্যবাদীরা প্রতিনিয়ত নারীদের মর্যাদা ও অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করছে খুবই সুকৌশলে। আর কিছু নামধারী সুশীল নারীবাদীরা তাদের এই কুচক্রান্তকে নারী স্বাধীনতা হিসেবে গ্রহণ করে অনবরত নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছে, অথচ তারা জানেই না নারীর প্রকৃত মর্যাদা ঠিক কিসের মাঝে বিদ্যমান রয়েছে।
মর্যাদা শব্দের অর্থ সম্ভ্রম, সম্মান। সুতরাং নারী মর্যাদা মানে নারীদেরকে সঠিক সম্মান প্রদান করা। আর তা একমাত্র ইসলাম নারীদেরকে প্রদান করেছে। আমরা ইতিহাস ঘাটলে দেখব, ইসলামের আগমনের পূর্বে নারী জাতি ছিল সবচেয়ে নির্যাতিত। তাদেরকে উপভোগ্যের পণ্য হিসেবে গণ্য করা হতো। নিজ পিতা হত্যা করত স্বীয় কন্যাকে অভিশাপ মনে করে।
কিন্তু ইসলামের আগমনে এসব কিছু দূরিভূত হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা পুরুষদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
আরবি:
هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ
বাংলা অর্থ:
“তারা (তোমাদের স্ত্রীগণ) তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক।”
যেখানে নারীদেরকে হত্যা করা হতো, সেখানে ইসলাম তাদেরকে বানিয়েছে পুরুষের পোশাক সদৃশ। যা অন্য কোনো ধর্মে ব্যক্ত করা হয়নি। অতএব ইসলামই প্রদান করেছে নারীদের সঠিক মর্যাদা।
নারী অধিকার অর্থ একজন নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও ন্যায্য সুযোগ পাওয়ার অধিকার। আর তা ইসলাম কতটুকু নিশ্চিত করেছে, তার আগে অন্য ধর্মে নারীদের অধিকারগুলো সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো—
হিন্দু ধর্মে : নারীদেরকে তাদের প্রতিমার জন্য বলী দেওয়া হতো এবং এ ধর্মে সতীদাহের মতো জঘন্যতম প্রথা প্রচলিত ছিল। এছাড়াও এ ধর্মে নারীরা পিতার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত। হিন্দু ধর্মে নারীদের নিচু ও অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখা হতো। এ দিকে ইঙ্গিত করেই Professor India গ্রন্থে বলা হয়েছে, There is no creature more sinful than woman. Woman is burning fire. She is the sharp edge of the razor; she is verily all there in a body. অর্থাৎ ‘নারীর ন্যায় এত পাপ-পঙ্কিলতাময় প্রাণী জগতে আর নেই। নারী প্রজ্জ্বলিত অগ্নি স্বরূপ। সে ক্ষুরের ধারালো দিক। এই সমস্তই তার দেহে সন্নিবিষ্ট’।[1] নারীদের প্রতি ঘৃণাভরে বলা হয়েছে, Men should not love their women অর্থাৎ ‘নারীদেরকে ভালোবাসা পুরুষদের উচিত নয়’।
বৌদ্ধ ধর্মে : নারীরাই হচ্ছে সকল পাপের কারণ—এটাই ছিল বৌদ্ধদের অন্ধবিশ্বাস। এ সম্পর্কে ঐতিহাসিক ওয়েস্টমার্ক বলেন, Women are of all the snares which the tempter has spread for man, the most dangerous; in woman are embodied all the powers of infatuation which blind the mind of the world. অর্থাৎ ‘মানুষের জন্য প্রলোভনের যতগুলো ফাঁদ বিস্তার করে রাখা হয়েছে, তন্মধ্যে নারীই সর্বাপেক্ষা বিপজ্জনক। নারীর মধ্যে সকল মোহিনী শক্তি অঙ্গীভূত হয়ে আছে, যা সমস্ত বিশ্বের মনকে অন্ধ করে দেয়’।
ইহুদী ধর্মে : ‘সতী নারীর চেয়ে পাপিষ্ঠ পুরুষও শতগুণে ভালো’।[4] তারা নারীকে পাপ ও মন্দের মূল কারণ হিসেবে গণ্য করেছে।
খ্রিষ্টান ধর্মে : খ্রিষ্টধর্ম মতে নারীরাই নরকের প্রবেশদ্বার। সপ্তদশ শতাব্দীতে ‘কাউন্সিল অব দ্য ওয়াইজ’-এর অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়— Woman has no soul অর্থাৎ ‘নারীর কোনো আত্মা নেই’।
চীন সভ্যতায় : চীন দেশের নারীদের অবস্থার বিবরণে কোনো এক চীনা নারী বলেন, ‘মানব সমাজে নারীদের স্থান সর্বনিম্নে। অদৃষ্টের কী নির্মম পরিহাস! নারী সর্বাপেক্ষা হতভাগ্য প্রাণী। জগতে নারীর মতো নিকৃষ্ট আর কিছু নেই’।
গ্রীক সভ্যতায় : গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিস বলেন, Woman is the greatest source of chaos and disruption in the world অর্থাৎ ‘নারী জগতে বিশৃঙ্খলা ও ভাঙনের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎস’।
রোম সভ্যতায় : রোম সভ্যতায় পরিবারের নেতা ও পরিচালক পিতা বা স্বামী নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের ওপর নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী ছিল। তারা যখন ইচ্ছা তখনই নারীকে ঘর থেকে বহিষ্কার করে দিত।
ইসলামে নারীর অধিকার :
নারীদেরকে নিকৃষ্ট সত্তা হিসেবে গণ্য করে তাদেরকে হত্যার যে রীতি প্রাক্‌যুগ থেকে চলে আসছিল, এর অবসান কেবল ইসলামের আগমনেই হয়েছে।
وَإِذَا الْمَوْءُودَةُ سُئِلَتْ
بِأَيِّ ذَنبٍ قُتِلَتْ
বাংলা অর্থ :
“আর যখন জীবন্ত কবর দেওয়া কন্যাশিশুকে জিজ্ঞেস করা হবে—
কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল?”
নারীদের সাথে সদয় আচরণ করার জন্য আল্লাহ তায়ালা বলেন—
আরবি :
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ
অর্থ :
“আর তোমরা নারীদের সাথে উত্তমভাবে জীবনযাপন কর।”
ধন-সম্পত্তিতেও নারীদেরকে পুরুষের ন্যায় প্রাপ্য প্রদান করেছে একমাত্র ইসলাম। আল্লাহ তায়ালা বলেন—
নারীদের সম্পদের অধিকার
আরবি :
وَلَا تَتَمَنَّوْا مَا فَضَّلَ اللّٰهُ بِهِ بَعْضَكُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ ۚ لِلرِّجَالِ نَصِيبٌ مِّمَّا اكْتَسَبُوا وَلِلنِّسَاءِ نَصِيبٌ مِّمَّا اكْتَسَبْنَ ۚ وَاسْأَلُوا اللّٰهَ مِن فَضْلِهِ ۗ إِنَّ اللّٰهَ كَانَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا
বাংলা অর্থ :
“তোমরা একে অপরের উপর আল্লাহ যা দ্বারা কাউকে অধিক মর্যাদা দিয়েছেন তা কামনা করো না। পুরুষরা যা অর্জন করে তার অংশ তাদের জন্য এবং নারীরা যা অর্জন করে তার অংশ তাদের জন্য। আর তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।”
নারীদেরকে ইভটিজিং ও ধর্ষণের মতো জঘন্যতম পাপের হাত থেকে রক্ষা করতে ইসলাম দিয়েছে পর্দার বিধান। সর্বোপরি একমাত্র ইসলামই সার্বিকভাবে নারীকে প্রদান করেছে তার প্রকৃত অধিকার।