আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক পবিত্র মায়া কাব্য লেখক: রওনাকুল ইসলাম রেজভী

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭৪ পড়া হয়েছে
১১৬

শিরোনাম: এক পবিত্র মায়া কাব্য
লেখক: রওনাকুল ইসলাম রেজভী

আমি কালবি। নিজেকে খুব বড় দ্বীনদার দাবি করার স্পর্ধা রাখি না, তবে প্রতিনিয়ত রবের দেখানো পথে চলার চেষ্টা করি। আমার হৃদয়ের গহীনে এক অপেক্ষার প্রহর চলছে—আমার **’রূহী’**র জন্য। আমি বিশ্বাস করি, মহান আল্লাহ তায়ালা খুব শীঘ্রই তাকে আমার জীবনসঙ্গিনী হিসেবে কবুল করে নেবেন, ইনশাআল্লাহ।

আমার এই অপেক্ষা ঠিক তেমন, যেমনটি হযরত ইউসুফ (আ.)-এর জন্য জুলেখা করেছিলেন—অগাধ বিশ্বাস আর রবের ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে। আমি আমার ভালোবাসা প্রকাশ করেছি এবং মাওলার কাছে তাকে কেবল ‘হালাল’ পন্থায় চেয়েছি। হারামের পথে পা বাড়িয়ে আমি আমাদের পবিত্রতাকে কলুষিত করতে চাই না। তাই তো প্রতিটি সিজদাহ আর নিভৃত মুনাজাতে চোখের জলে তাকেই খুঁজি; প্রার্থনা করি যেন খুব দ্রুত তাকে আমার জন্য হালাল করে দেওয়া হয়।

ভালোবাসা যখন পবিত্রতার চাদরে ঢাকা থাকে, তখন তা কেবল আবেগ থাকে না, বরং এক পরম ইবাদতে পরিণত হয়। আমার স্বপ্নের ‘রূহী’ ঠিক তেমনই—যিনি পর্দার অন্তরালে থেকেও আমার হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে মিশে আছেন।

আমাদের পরিচয়ের সূত্রপাত হয়েছিল রহমতের মাস এই পবিত্র রামাদ্বানে। আপুর বিয়েবাড়ির সেই ব্যস্ত কোলাহলের মাঝে যখন তাকে প্রথম দেখি, মুহূর্তেই যেন চারপাশের পৃথিবী থমকে গিয়েছিল। সেই প্রথম দর্শনেই আমার প্রতিটি ভাবনায়, প্রতিটি দোয়ায় তার বিচরণ শুরু। আমি তাকে কেবল এই নশ্বর পৃথিবীর ক্ষণস্থায়ী সময়ের জন্য চাই না; আমার চাওয়াটা আরও গভীর, আরও শাশ্বত। আমি চাই সে হোক আমার সেই ‘জান্নাতি সাথী’, যার হাত ধরে আমি মহান আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হব। আমরা একে অপরের পরিপূরক হয়ে গড়ে তুলব এক পুণ্যময় দ্বীনি সংসার, যেখানে প্রতিটি ভোর শুরু হবে সিজদাহর প্রশান্তিতে।

“প্রতিটি রাতের নিস্তব্ধতায় যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে, তখনও আমার মন তোমার স্মরণে সজাগ থাকে। তোমার স্নিগ্ধ হাসি, তোমার চোখের সেই মায়াবী চাহনি আর প্রতিটি কথা—সবই যেন আমার জীবনের এক অমর কবিতা। তোমার মাঝেই আমি খুঁজে পাই জীবনের সার্থকতা।”

আমার প্রতিটি স্বপ্নের শেষ গন্তব্য হলো জান্নাত, আর সেই দুর্গম কিন্তু আনন্দময় পথে আমি তাকেই পাশে চাই। ভালোবাসা যদি হয় রবের সন্তুষ্টির জন্য, তবে সেই ভালোবাসা কখনোই ফুরিয়ে যায় না। আমার রূহীর প্রতি আমার এই অনুরাগ যেন কালজয়ী হয়; আর আমাদের এই পথচলা যেন দুনিয়া পেরিয়ে জান্নাতের চিরস্থায়ী বাগানে গিয়ে পূর্ণতা পায়।

হে আরশের মালিক, আমার এই পবিত্র চাওয়াকে কবুল করে নিন। আমীন।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

এক পবিত্র মায়া কাব্য লেখক: রওনাকুল ইসলাম রেজভী

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
১১৬

শিরোনাম: এক পবিত্র মায়া কাব্য
লেখক: রওনাকুল ইসলাম রেজভী

আমি কালবি। নিজেকে খুব বড় দ্বীনদার দাবি করার স্পর্ধা রাখি না, তবে প্রতিনিয়ত রবের দেখানো পথে চলার চেষ্টা করি। আমার হৃদয়ের গহীনে এক অপেক্ষার প্রহর চলছে—আমার **’রূহী’**র জন্য। আমি বিশ্বাস করি, মহান আল্লাহ তায়ালা খুব শীঘ্রই তাকে আমার জীবনসঙ্গিনী হিসেবে কবুল করে নেবেন, ইনশাআল্লাহ।

আমার এই অপেক্ষা ঠিক তেমন, যেমনটি হযরত ইউসুফ (আ.)-এর জন্য জুলেখা করেছিলেন—অগাধ বিশ্বাস আর রবের ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে। আমি আমার ভালোবাসা প্রকাশ করেছি এবং মাওলার কাছে তাকে কেবল ‘হালাল’ পন্থায় চেয়েছি। হারামের পথে পা বাড়িয়ে আমি আমাদের পবিত্রতাকে কলুষিত করতে চাই না। তাই তো প্রতিটি সিজদাহ আর নিভৃত মুনাজাতে চোখের জলে তাকেই খুঁজি; প্রার্থনা করি যেন খুব দ্রুত তাকে আমার জন্য হালাল করে দেওয়া হয়।

ভালোবাসা যখন পবিত্রতার চাদরে ঢাকা থাকে, তখন তা কেবল আবেগ থাকে না, বরং এক পরম ইবাদতে পরিণত হয়। আমার স্বপ্নের ‘রূহী’ ঠিক তেমনই—যিনি পর্দার অন্তরালে থেকেও আমার হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে মিশে আছেন।

আমাদের পরিচয়ের সূত্রপাত হয়েছিল রহমতের মাস এই পবিত্র রামাদ্বানে। আপুর বিয়েবাড়ির সেই ব্যস্ত কোলাহলের মাঝে যখন তাকে প্রথম দেখি, মুহূর্তেই যেন চারপাশের পৃথিবী থমকে গিয়েছিল। সেই প্রথম দর্শনেই আমার প্রতিটি ভাবনায়, প্রতিটি দোয়ায় তার বিচরণ শুরু। আমি তাকে কেবল এই নশ্বর পৃথিবীর ক্ষণস্থায়ী সময়ের জন্য চাই না; আমার চাওয়াটা আরও গভীর, আরও শাশ্বত। আমি চাই সে হোক আমার সেই ‘জান্নাতি সাথী’, যার হাত ধরে আমি মহান আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হব। আমরা একে অপরের পরিপূরক হয়ে গড়ে তুলব এক পুণ্যময় দ্বীনি সংসার, যেখানে প্রতিটি ভোর শুরু হবে সিজদাহর প্রশান্তিতে।

“প্রতিটি রাতের নিস্তব্ধতায় যখন পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে, তখনও আমার মন তোমার স্মরণে সজাগ থাকে। তোমার স্নিগ্ধ হাসি, তোমার চোখের সেই মায়াবী চাহনি আর প্রতিটি কথা—সবই যেন আমার জীবনের এক অমর কবিতা। তোমার মাঝেই আমি খুঁজে পাই জীবনের সার্থকতা।”

আমার প্রতিটি স্বপ্নের শেষ গন্তব্য হলো জান্নাত, আর সেই দুর্গম কিন্তু আনন্দময় পথে আমি তাকেই পাশে চাই। ভালোবাসা যদি হয় রবের সন্তুষ্টির জন্য, তবে সেই ভালোবাসা কখনোই ফুরিয়ে যায় না। আমার রূহীর প্রতি আমার এই অনুরাগ যেন কালজয়ী হয়; আর আমাদের এই পথচলা যেন দুনিয়া পেরিয়ে জান্নাতের চিরস্থায়ী বাগানে গিয়ে পূর্ণতা পায়।

হে আরশের মালিক, আমার এই পবিত্র চাওয়াকে কবুল করে নিন। আমীন।