আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“নারী” কবিতাটি লিখছেন মাহজাবিন মিষ্টি

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ১৯৬ পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

২১৪

নারী
কলমে-মাহজাবিন মিষ্টি

রংপুর

 

দৃষ্টি আছে—তবু আমি অন্ধ,

সময়ের ভিড়ে নিজের মুখটাই

অনেক সময় চিনতে পারি না।

ভালো থাকার সব আয়োজন থাকলেও

মনের আকাশে হঠাৎ

অকারণ এক বিষণ্ন মেঘ জমে।

পথ চিনেও আমি হেঁটে যাই অচেনা হয়ে,

সব জানার পরও থাকি

নীরব অজানার ভেতর লুকিয়ে।

স্বাধীন দেশের আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে

আমার শাড়ির আঁচল বাতাসে দোলে,

তবু অদৃশ্য শিকল বেঁধে রাখে ডানা।

ফুল হয়ে ফুটে থাকি প্রতিদিন।

কিন্তু সব সকাল

আমার জীবনে মধু নিয়ে আসে না।

ত্যাগের গল্পে আমার নাম লেখা থাকে,

তবু পৃথিবী সহজেই বলে—

আমি নাকি স্বার্থপর।

আপন হয়ে উঠলেও

কোনো এক অদ্ভুত সময়ে বুঝি

আমি যেন চিরকালই একটু পর।

কাছে থেকেও দূরে থাকি,

দূরে গিয়েও মনে হয়

এই ঘরই আমার একমাত্র ঠিকানা।

রানীর মতো সম্মান দেয় পৃথিবী,

তারপর নীরবে

দাসীর মতো দায়িত্ব তুলে দেয় হাতে।

ব্যথা জমে বুকের গভীরে,

তবু ঠোঁটে রেখে দিই

এক অনুশীলিত নরম হাসি।

ডিজিটালের আলোর যুগেও

আমি শাড়ির আঁচলে বেঁধে রাখি

মাটির গন্ধ আর শত বছরের সংস্কার।

কারণ আমি নারী—

এই বাংলার মাটিতে জন্মানো

সহনশীলতা, মমতা আর অদম্য শক্তির

এক নীরব, দীপ্ত কবিতা।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

“নারী” কবিতাটি লিখছেন মাহজাবিন মিষ্টি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
২১৪

নারী
কলমে-মাহজাবিন মিষ্টি

রংপুর

 

দৃষ্টি আছে—তবু আমি অন্ধ,

সময়ের ভিড়ে নিজের মুখটাই

অনেক সময় চিনতে পারি না।

ভালো থাকার সব আয়োজন থাকলেও

মনের আকাশে হঠাৎ

অকারণ এক বিষণ্ন মেঘ জমে।

পথ চিনেও আমি হেঁটে যাই অচেনা হয়ে,

সব জানার পরও থাকি

নীরব অজানার ভেতর লুকিয়ে।

স্বাধীন দেশের আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে

আমার শাড়ির আঁচল বাতাসে দোলে,

তবু অদৃশ্য শিকল বেঁধে রাখে ডানা।

ফুল হয়ে ফুটে থাকি প্রতিদিন।

কিন্তু সব সকাল

আমার জীবনে মধু নিয়ে আসে না।

ত্যাগের গল্পে আমার নাম লেখা থাকে,

তবু পৃথিবী সহজেই বলে—

আমি নাকি স্বার্থপর।

আপন হয়ে উঠলেও

কোনো এক অদ্ভুত সময়ে বুঝি

আমি যেন চিরকালই একটু পর।

কাছে থেকেও দূরে থাকি,

দূরে গিয়েও মনে হয়

এই ঘরই আমার একমাত্র ঠিকানা।

রানীর মতো সম্মান দেয় পৃথিবী,

তারপর নীরবে

দাসীর মতো দায়িত্ব তুলে দেয় হাতে।

ব্যথা জমে বুকের গভীরে,

তবু ঠোঁটে রেখে দিই

এক অনুশীলিত নরম হাসি।

ডিজিটালের আলোর যুগেও

আমি শাড়ির আঁচলে বেঁধে রাখি

মাটির গন্ধ আর শত বছরের সংস্কার।

কারণ আমি নারী—

এই বাংলার মাটিতে জন্মানো

সহনশীলতা, মমতা আর অদম্য শক্তির

এক নীরব, দীপ্ত কবিতা।