আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • ১০২ পড়া হয়েছে

0-0x0-0-0#

১৩৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ:
সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও তরুণদের ইতিবাচক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় “Youth Ending Hunger Bangladesh” এর আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য ও আনন্দঘন মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবটি জেলার বিভিন্ন এলাকার তরুণ-তরুণী, শিশু ও স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

উৎসবের শুরু থেকেই ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অংশগ্রহণকারীরা হাতে মেহেদী পরিধানের মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করেন। ছোট ছোট শিশুদের হাসি, উচ্ছ্বাস ও আনন্দে পুরো আয়োজন প্রাণ ফিরে পায়। তরুণ-তরুণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে।
আয়োজকরা জানান, এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য শুধু বিনোদন নয়, বরং সমাজে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা। তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সামাজিক ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করা সময়ের দাবি। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংগঠনের সদস্যরা আরও বলেন, “Youth Ending Hunger Bangladesh” দীর্ঘদিন ধরে সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুধামুক্ত সমাজ গঠন, শিক্ষা বিস্তার, এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে তাদের ধারাবাহিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মেহেদী উৎসবের মতো আয়োজন সেই ধারাবাহিকতারই একটি অংশ।
উৎসবে অংশগ্রহণকারী একাধিক তরুণ-তরুণী তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এমন আয়োজন তাদের মাঝে ভিন্নধর্মী আনন্দ এনে দেয় এবং সামাজিকভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে। শিশুদের জন্য এটি ছিলো এক আনন্দঘন অভিজ্ঞতা, যা তাদের মনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয়। আয়োজকরা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানান।
উপস্থিত স্থানীয় জনগণ ও অংশগ্রহণকারীরা এ উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং আয়োজকদের এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

rakibul

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

কিশোরগঞ্জে ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
১৩৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ:
সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও তরুণদের ইতিবাচক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় “Youth Ending Hunger Bangladesh” এর আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য ও আনন্দঘন মেহেদী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবটি জেলার বিভিন্ন এলাকার তরুণ-তরুণী, শিশু ও স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

উৎসবের শুরু থেকেই ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অংশগ্রহণকারীরা হাতে মেহেদী পরিধানের মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করেন। ছোট ছোট শিশুদের হাসি, উচ্ছ্বাস ও আনন্দে পুরো আয়োজন প্রাণ ফিরে পায়। তরুণ-তরুণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে।
আয়োজকরা জানান, এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য শুধু বিনোদন নয়, বরং সমাজে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা। তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সামাজিক ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করা সময়ের দাবি। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংগঠনের সদস্যরা আরও বলেন, “Youth Ending Hunger Bangladesh” দীর্ঘদিন ধরে সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুধামুক্ত সমাজ গঠন, শিক্ষা বিস্তার, এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে তাদের ধারাবাহিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মেহেদী উৎসবের মতো আয়োজন সেই ধারাবাহিকতারই একটি অংশ।
উৎসবে অংশগ্রহণকারী একাধিক তরুণ-তরুণী তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এমন আয়োজন তাদের মাঝে ভিন্নধর্মী আনন্দ এনে দেয় এবং সামাজিকভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে। শিশুদের জন্য এটি ছিলো এক আনন্দঘন অভিজ্ঞতা, যা তাদের মনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয়। আয়োজকরা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানান।
উপস্থিত স্থানীয় জনগণ ও অংশগ্রহণকারীরা এ উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং আয়োজকদের এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।