আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“শিমুল ডালে রঙিন পলাশ” কবিতাটি লিখছেন লেখিকা নাজমুন নাহার খান

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ১০০ পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

১২৭

শিমুল ডালে রঙিন পলাশ
লেখিকা : নাজমুন নাহার খান

 

​চুলে ধরেছে পাক ধরেছে, দাঁতগুলো সব নড়বড়ে,

চশমা ছাড়া ঝাপসা দেখি, লাঠি ছাড়া পা সরে।

হাড়ের ভেতর মড়মড়ানি, গিন্নি ডাকে— ‘ওগো শোনো’,

কানের ভেতর খিল লেগেছে, শুনছি না তো আর কোনো।

হঠাৎ দেখি পাশের বাড়ির খুকুমণির বিয়ের সাজ,

মনে পড়ে সেই আদ্যিকালের পুরনো সব পিরিত-কাজ!

আয়না নিয়ে একলা ঘরে সিঁথি কাটি ফিটফাট,

ছেঁড়া পাঞ্জাবি বদলে ফেলি, মনে এখন রাজার ঠাট।

গিন্নি বলেন, ‘আক্কেল হবে? বয়সটা কি দেখেছ আয়নায়?’

আমি বলি, ‘মন তো আজও ফড়িং হয়ে উড়তে চায়।’

ডায়াবেটিস আর প্রেশার ভুলে জিলিপি কিনি ভরপেটে,

পঁচাত্তরেও ইচ্ছে জাগে ঘুরি একটু গড়ের মাঠে হেঁটে।

​লোকে বলে ‘ভীমরতি’ ওই বুড়োটা কি পাগল হলো?

আমি বলি, ‘জীবনটা তো শেষের দিকেই বেশি ভালো।’

ভাটার টানেও যদি একটু জোয়ার এসে ধাক্কা দেয়,

মরার আগে বাঁচতে চাওয়া— ক্ষতিটা ঠিক কোথায় ভাই?

​সবাই তো আর গাম্ভীর্য নিয়ে গম্ভীর হতে পারে না!

জীবনটাকে একটু হালকা মেজাজে দেখাই বোধহয় সার্থকতা।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

“শিমুল ডালে রঙিন পলাশ” কবিতাটি লিখছেন লেখিকা নাজমুন নাহার খান

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
১২৭

শিমুল ডালে রঙিন পলাশ
লেখিকা : নাজমুন নাহার খান

 

​চুলে ধরেছে পাক ধরেছে, দাঁতগুলো সব নড়বড়ে,

চশমা ছাড়া ঝাপসা দেখি, লাঠি ছাড়া পা সরে।

হাড়ের ভেতর মড়মড়ানি, গিন্নি ডাকে— ‘ওগো শোনো’,

কানের ভেতর খিল লেগেছে, শুনছি না তো আর কোনো।

হঠাৎ দেখি পাশের বাড়ির খুকুমণির বিয়ের সাজ,

মনে পড়ে সেই আদ্যিকালের পুরনো সব পিরিত-কাজ!

আয়না নিয়ে একলা ঘরে সিঁথি কাটি ফিটফাট,

ছেঁড়া পাঞ্জাবি বদলে ফেলি, মনে এখন রাজার ঠাট।

গিন্নি বলেন, ‘আক্কেল হবে? বয়সটা কি দেখেছ আয়নায়?’

আমি বলি, ‘মন তো আজও ফড়িং হয়ে উড়তে চায়।’

ডায়াবেটিস আর প্রেশার ভুলে জিলিপি কিনি ভরপেটে,

পঁচাত্তরেও ইচ্ছে জাগে ঘুরি একটু গড়ের মাঠে হেঁটে।

​লোকে বলে ‘ভীমরতি’ ওই বুড়োটা কি পাগল হলো?

আমি বলি, ‘জীবনটা তো শেষের দিকেই বেশি ভালো।’

ভাটার টানেও যদি একটু জোয়ার এসে ধাক্কা দেয়,

মরার আগে বাঁচতে চাওয়া— ক্ষতিটা ঠিক কোথায় ভাই?

​সবাই তো আর গাম্ভীর্য নিয়ে গম্ভীর হতে পারে না!

জীবনটাকে একটু হালকা মেজাজে দেখাই বোধহয় সার্থকতা।