আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৭:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন বাংলাদেশ ও আমাদের ভোটাধিকার আল হাফিজ

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০১ পড়া হয়েছে
১৪২

গত দীর্ঘ ১৬ বছর এই দেশের মানুষ তাদের ন্যায্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। অবশেষে মহান আল্লাহর হুকুমে এবং আমাদের অকুতোভয় তরুণ সমাজ ও সাধারণ জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এক নতুন বাংলাদেশ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই বছর জনগণ আবারও ভোট দেওয়ার সুযোগ পেতে যাচ্ছে। যারা নতুন ভোটার, তারা প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে,আর যারা প্রবীণ, তারা ফিরে পেয়েছে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। এখন দেখার বিষয় হলো আসন্ন নির্বাচনে জয়-পরাজয় কার হয়। তবে মনে রাখতে হবে, প্রার্থীরা সবাই যোগ্য হলেও আমাদের ভোট দিতে হবে নেতা দেখে নয়, বরং নীতি দেখে। ভোটারদের হাতেই আগামীর বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। সাধারণ মানুষের ভোটের মাধ্যমেই নির্বাচিত হবেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তাই একটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি আপনার মূল্যবান ভোটটি যেন বিফলে না যায়। এমন একজন নেতাকে নির্বাচিত করতে হবে, যিনি নির্বাচনের আগে যেমন জনদরদি ছিলেন, নির্বাচনের পরেও ঠিক তেমনই থাকবেন। যার মধ্যে কোনো অহংকার থাকবে না, থাকবে কেবল জনগণের প্রতি নিরন্তর ভালোবাসা। কারণ সাধারণ মানুষ একটু সম্মান ও ভালোবাসা পেলেই খুশি থাকে। আমরা চাই এমন একজন ন্যায় নিষ্ঠাবান ও সাহসী মানুষ দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসুক, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক টান করে প্রতিরোধ গড়তে পারবেন। আমরা দেখেছি, জুলাই বিপ্লবের পরেও দেশে অনেক হামলা, মামলা, হত্যাকাণ্ড ও নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু সেগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখনো নিশ্চিত হয়নি। যদি এভাবেই চলতে থাকে, তবে দেশে কখনোই প্রকৃত শান্তি ফিরে আসবে না। তাই নতুন সরকারের প্রথম কাজ হবে দেশে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা এবং অপরাধীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন সাহস না পায়। দেশ থেকে ঘুষ ও সুদ চিরতরে নির্মূল করতে হবে এবং মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। যারা জুলাই বিপ্লবে জীবন দিয়ে নতুন বাংলাদেশ এনেছে, তাদের পরিবারের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে। একজন সাধারণ মানুষ যেন সরকারের কাছে পৌঁছাতে গিয়ে পদে পদে ঘুষের শিকার না হয় এবং নির্দ্বিধায় নিজের মনের কথা ব্যক্ত করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। প্রতিটি নাগরিকের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা গেলেই এই দেশ সত্যিকার অর্থে একটি সোনার দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

নতুন বাংলাদেশ ও আমাদের ভোটাধিকার আল হাফিজ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৪২

গত দীর্ঘ ১৬ বছর এই দেশের মানুষ তাদের ন্যায্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। অবশেষে মহান আল্লাহর হুকুমে এবং আমাদের অকুতোভয় তরুণ সমাজ ও সাধারণ জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এক নতুন বাংলাদেশ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই বছর জনগণ আবারও ভোট দেওয়ার সুযোগ পেতে যাচ্ছে। যারা নতুন ভোটার, তারা প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে,আর যারা প্রবীণ, তারা ফিরে পেয়েছে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। এখন দেখার বিষয় হলো আসন্ন নির্বাচনে জয়-পরাজয় কার হয়। তবে মনে রাখতে হবে, প্রার্থীরা সবাই যোগ্য হলেও আমাদের ভোট দিতে হবে নেতা দেখে নয়, বরং নীতি দেখে। ভোটারদের হাতেই আগামীর বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। সাধারণ মানুষের ভোটের মাধ্যমেই নির্বাচিত হবেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তাই একটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি আপনার মূল্যবান ভোটটি যেন বিফলে না যায়। এমন একজন নেতাকে নির্বাচিত করতে হবে, যিনি নির্বাচনের আগে যেমন জনদরদি ছিলেন, নির্বাচনের পরেও ঠিক তেমনই থাকবেন। যার মধ্যে কোনো অহংকার থাকবে না, থাকবে কেবল জনগণের প্রতি নিরন্তর ভালোবাসা। কারণ সাধারণ মানুষ একটু সম্মান ও ভালোবাসা পেলেই খুশি থাকে। আমরা চাই এমন একজন ন্যায় নিষ্ঠাবান ও সাহসী মানুষ দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসুক, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক টান করে প্রতিরোধ গড়তে পারবেন। আমরা দেখেছি, জুলাই বিপ্লবের পরেও দেশে অনেক হামলা, মামলা, হত্যাকাণ্ড ও নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু সেগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখনো নিশ্চিত হয়নি। যদি এভাবেই চলতে থাকে, তবে দেশে কখনোই প্রকৃত শান্তি ফিরে আসবে না। তাই নতুন সরকারের প্রথম কাজ হবে দেশে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা এবং অপরাধীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন সাহস না পায়। দেশ থেকে ঘুষ ও সুদ চিরতরে নির্মূল করতে হবে এবং মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। যারা জুলাই বিপ্লবে জীবন দিয়ে নতুন বাংলাদেশ এনেছে, তাদের পরিবারের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে। একজন সাধারণ মানুষ যেন সরকারের কাছে পৌঁছাতে গিয়ে পদে পদে ঘুষের শিকার না হয় এবং নির্দ্বিধায় নিজের মনের কথা ব্যক্ত করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। প্রতিটি নাগরিকের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা গেলেই এই দেশ সত্যিকার অর্থে একটি সোনার দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।