আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবি ইশতিয়াক আহাম্মেদ, সাহিত্য, মানবতা ও দেশপ্রেমের দীপ্ত প্রতিচ্ছবি

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ১৫৩ পড়া হয়েছে
২১১

বাংলা সাহিত্যাঙ্গনের এক উদীয়মান, প্রতিশ্রুতিশীল ও মানবিক ব্যক্তিত্ব ইশতিয়াক আহাম্মেদ। সাহিত্যচর্চা, সমাজসেবা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমকে একসাথে ধারণ করে তিনি আজ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সৃজনশীল কবি, সংগঠক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে। তার সাহিত্যকর্মে যেমন রয়েছে অনুভূতির গভীরতা, তেমনি রয়েছে বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি, মানবতার আহ্বান এবং স্বপ্ন দেখার সাহস।

১৯৯০ সালের ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার ভাবখন্ড গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তিনি বেড়ে ওঠেন এক সাহিত্য ও দেশপ্রেমময় পরিবেশে। তার বাবা মরহুম আনোয়ার হোসেন ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, ন্যায়বোধ ও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ বাবার কাছ থেকেই তিনি অর্জন করেন। অন্যদিকে তার মা রেভা বেগম ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীলা, সাহসী ও দৃঢ়চেতা নারী। মায়ের স্নেহ, শিক্ষা ও অনুপ্রেরণাই তাকে জীবনের প্রতিটি ধাপে এগিয়ে যেতে সাহস যুগিয়েছে।

শিক্ষাজীবনে তিনি করটিয়া সা’দত কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সাহিত্যচর্চার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন। বই পড়া, কবিতা লেখা, প্রকৃতিকে অনুভব করা এবং মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ গল্প তাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যেত। তার কাব্যচিন্তায় প্রকৃতি, প্রেম, বিরহ, দেশপ্রেম, সমাজবাস্তবতা ও মানবিক অনুভূতির অপূর্ব মিশ্রণ লক্ষ করা যায়।

প্রকৃতির প্রতি কবি ইশতিয়াক আহাম্মেদের ভালোবাসা সত্যিই অসীম। পাহাড়ের নীরবতা, সমুদ্রের গর্জন, নদীর স্রোত কিংবা বসন্তের রঙিন আবহ তাকে গভীরভাবে আন্দোলিত করে। প্রকৃতির প্রতিটি সৌন্দর্য তার কল্পনাকে নতুনভাবে জাগিয়ে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রকৃতিই একজন কবির সবচেয়ে বড় শিক্ষক। তাই তার লেখনীতে প্রকৃতির রূপ, মানুষের অনুভূতি এবং জীবনের গভীর দর্শন বারবার উঠে আসে। উদাস দুপুর, নীরব রাত কিংবা বৃষ্টিভেজা বিকেলেও তিনি সৃষ্টি করেন নতুন নতুন কাব্যের অনন্য পঙক্তিমালা।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ-এর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনটির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তরুণ কবি-লেখকদের উৎসাহ প্রদান, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং সাহিত্যকে সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

কবি ইশতিয়াক আহাম্মেদের সাহিত্যকর্ম ইতোমধ্যেই পাঠকমহলে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে। তার বহু কবিতা বিভিন্ন যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে এবং সাহিত্যপ্রেমীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। তার লেখায় যেমন রয়েছে হৃদয়ের আবেগ, তেমনি রয়েছে সমাজ ও জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ প্রকাশিত তার আলোচিত উপন্যাস “নিলাদ্রী” পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। উপন্যাসটিতে তিনি মানুষের অনুভূতি, স্বপ্ন, ভালোবাসা ও জীবনের নানা বাস্তবতাকে অত্যন্ত সাবলীল ও হৃদয়স্পর্শী ভাষায় তুলে ধরেছেন। এছাড়াও তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে — ছোট ছোট দুঃখ কথা, সময়ের সুর, কবি কণ্ঠ, কাব্যের স্নিগ্ধতা, আমার ২১ আমার অহংকার, শেষ চিরকুট এবং হৃদয়ের অন্তরালে তুমি। প্রতিটি বইতেই তিনি ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতি ও জীবনদর্শনের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।

গত বছর তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে তার পিতা আনোয়ার হোসেনের লেখা একজন মুক্তিযোদ্ধার কাব্য সংকলন। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি শুধু একজন লেখকের সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণ করেননি, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এটি তার পিতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারও এক অনন্য নিদর্শন।

সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এ ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাগত জীবনে দায়িত্বশীলতা, সততা ও মানবিকতা দিয়ে তিনি সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং মানবসেবাকে জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি।

কবি ইশতিয়াক আহাম্মেদ শুধুমাত্র একজন কবি নন, তিনি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, মানবিক মানুষ, দেশপ্রেমিক ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব। সাহিত্যকে তিনি মানুষের হৃদয়ের ভাষা হিসেবে দেখেন। তার বিশ্বাস,  সাহিত্য সমাজকে বদলে দিতে পারে, মানুষকে মানবিক হতে শেখাতে পারে এবং নতুন প্রজন্মকে সত্য ও সৌন্দর্যের পথে পরিচালিত করতে পারে।

নিজের সাহিত্যকর্ম, মানবিক চিন্তাধারা ও সাংস্কৃতিক অবদানের মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে চলেছেন। ভবিষ্যতেও তার লেখনী, চিন্তাভাবনা ও মানবিক কর্মকাণ্ড বাংলা সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে— এমন প্রত্যাশা সাহিত্যপ্রেমী পাঠকমহলের।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

কবি ইশতিয়াক আহাম্মেদ, সাহিত্য, মানবতা ও দেশপ্রেমের দীপ্ত প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
২১১

বাংলা সাহিত্যাঙ্গনের এক উদীয়মান, প্রতিশ্রুতিশীল ও মানবিক ব্যক্তিত্ব ইশতিয়াক আহাম্মেদ। সাহিত্যচর্চা, সমাজসেবা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমকে একসাথে ধারণ করে তিনি আজ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন সৃজনশীল কবি, সংগঠক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে। তার সাহিত্যকর্মে যেমন রয়েছে অনুভূতির গভীরতা, তেমনি রয়েছে বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি, মানবতার আহ্বান এবং স্বপ্ন দেখার সাহস।

১৯৯০ সালের ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার ভাবখন্ড গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তিনি বেড়ে ওঠেন এক সাহিত্য ও দেশপ্রেমময় পরিবেশে। তার বাবা মরহুম আনোয়ার হোসেন ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, ন্যায়বোধ ও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ বাবার কাছ থেকেই তিনি অর্জন করেন। অন্যদিকে তার মা রেভা বেগম ছিলেন অত্যন্ত স্নেহশীলা, সাহসী ও দৃঢ়চেতা নারী। মায়ের স্নেহ, শিক্ষা ও অনুপ্রেরণাই তাকে জীবনের প্রতিটি ধাপে এগিয়ে যেতে সাহস যুগিয়েছে।

শিক্ষাজীবনে তিনি করটিয়া সা’দত কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সাহিত্যচর্চার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন। বই পড়া, কবিতা লেখা, প্রকৃতিকে অনুভব করা এবং মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ গল্প তাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যেত। তার কাব্যচিন্তায় প্রকৃতি, প্রেম, বিরহ, দেশপ্রেম, সমাজবাস্তবতা ও মানবিক অনুভূতির অপূর্ব মিশ্রণ লক্ষ করা যায়।

প্রকৃতির প্রতি কবি ইশতিয়াক আহাম্মেদের ভালোবাসা সত্যিই অসীম। পাহাড়ের নীরবতা, সমুদ্রের গর্জন, নদীর স্রোত কিংবা বসন্তের রঙিন আবহ তাকে গভীরভাবে আন্দোলিত করে। প্রকৃতির প্রতিটি সৌন্দর্য তার কল্পনাকে নতুনভাবে জাগিয়ে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রকৃতিই একজন কবির সবচেয়ে বড় শিক্ষক। তাই তার লেখনীতে প্রকৃতির রূপ, মানুষের অনুভূতি এবং জীবনের গভীর দর্শন বারবার উঠে আসে। উদাস দুপুর, নীরব রাত কিংবা বৃষ্টিভেজা বিকেলেও তিনি সৃষ্টি করেন নতুন নতুন কাব্যের অনন্য পঙক্তিমালা।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ-এর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনটির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তরুণ কবি-লেখকদের উৎসাহ প্রদান, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং সাহিত্যকে সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

কবি ইশতিয়াক আহাম্মেদের সাহিত্যকর্ম ইতোমধ্যেই পাঠকমহলে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে। তার বহু কবিতা বিভিন্ন যৌথ কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে এবং সাহিত্যপ্রেমীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। তার লেখায় যেমন রয়েছে হৃদয়ের আবেগ, তেমনি রয়েছে সমাজ ও জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ প্রকাশিত তার আলোচিত উপন্যাস “নিলাদ্রী” পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। উপন্যাসটিতে তিনি মানুষের অনুভূতি, স্বপ্ন, ভালোবাসা ও জীবনের নানা বাস্তবতাকে অত্যন্ত সাবলীল ও হৃদয়স্পর্শী ভাষায় তুলে ধরেছেন। এছাড়াও তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে — ছোট ছোট দুঃখ কথা, সময়ের সুর, কবি কণ্ঠ, কাব্যের স্নিগ্ধতা, আমার ২১ আমার অহংকার, শেষ চিরকুট এবং হৃদয়ের অন্তরালে তুমি। প্রতিটি বইতেই তিনি ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতি ও জীবনদর্শনের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।

গত বছর তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে তার পিতা আনোয়ার হোসেনের লেখা একজন মুক্তিযোদ্ধার কাব্য সংকলন। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি শুধু একজন লেখকের সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণ করেননি, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এটি তার পিতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারও এক অনন্য নিদর্শন।

সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এ ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাগত জীবনে দায়িত্বশীলতা, সততা ও মানবিকতা দিয়ে তিনি সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং মানবসেবাকে জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি।

কবি ইশতিয়াক আহাম্মেদ শুধুমাত্র একজন কবি নন, তিনি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, মানবিক মানুষ, দেশপ্রেমিক ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব। সাহিত্যকে তিনি মানুষের হৃদয়ের ভাষা হিসেবে দেখেন। তার বিশ্বাস,  সাহিত্য সমাজকে বদলে দিতে পারে, মানুষকে মানবিক হতে শেখাতে পারে এবং নতুন প্রজন্মকে সত্য ও সৌন্দর্যের পথে পরিচালিত করতে পারে।

নিজের সাহিত্যকর্ম, মানবিক চিন্তাধারা ও সাংস্কৃতিক অবদানের মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে চলেছেন। ভবিষ্যতেও তার লেখনী, চিন্তাভাবনা ও মানবিক কর্মকাণ্ড বাংলা সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে— এমন প্রত্যাশা সাহিত্যপ্রেমী পাঠকমহলের।