আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
১০:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবজীবনের মর্মগীতি কবিতাটি লিখছেন কবি নাদিম মাহমুদ

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৫০ পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

১৭৮

 

মানুষ কেন আসে ধরণীতে ক্ষণে,
জীবন মধুর তবু মরণে শোকে গনে।
কে জানে রহস্য, কে জানে ঠিক,
কেনই বা প্রভু দিলেন প্রাণের দিক।

নিভৃতে বসে ভাবি নিশীথ রাতে,
তারারা জ্বলে আকাশের প্রান্তে।
মন বলে, “হে মানুষ, তুই ক্ষণজীবী”,
তবু তোর লোভে ভরে ধরণী রবি।

প্রভাতের শিশিরে সূর্যের আলো,
জীবনের মতোই মিশে যায় ভালো।
ক্ষণেকের হাসি, ক্ষণেকের ব্যথা,
তবু মানুষ খোঁজে অনন্ত পথা।

ধন চাই, যশ চাই, সুখের নেশা,
কিন্তু শেষে মাটিই শেষের দেশা।
অহংকার ভোলে, রাজা-দরিদ্র,
সবাই মিশে যায় ধূলির নিদ্র।

মায়ের মুখখানি মনে পড়ে কেমনে,
তারই দোয়া আছে জীবনের স্রোতধারে।
পাপের বোঝা বয়ে ফিরে আসি শেষে,
প্রভুর দয়ার আশায় চোখ রাখি হেসে।

আকাশ বলে, “তুই ক্ষুদ্র ধূলিকণা”,
তবু তোর বুকে জ্বলে ঈমানের জ্বালা।
প্রেমে, দয়ায়, দানে, করুণা বুকে,
মানুষের মহিমা সৃষ্টির সুখে।

একদিন থামিবে নিশ্বাস ধীরে,
নিঃশব্দ হবে কোলাহল নীড়ে।
তখনই বোঝিবি জীবনের মান,
প্রভুর প্রেমেই লুকায় জান্নাতের দান।

তাই হে মন, অহংকার ত্যাগ কর,
ভালোবাসা দিয়ে সবারে আগর।
দীনতা রাখি অন্তরে সর্বক্ষণ,
তাহলেই পাবি শান্তির জীবন।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

মানবজীবনের মর্মগীতি কবিতাটি লিখছেন কবি নাদিম মাহমুদ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
১৭৮

 

মানুষ কেন আসে ধরণীতে ক্ষণে,
জীবন মধুর তবু মরণে শোকে গনে।
কে জানে রহস্য, কে জানে ঠিক,
কেনই বা প্রভু দিলেন প্রাণের দিক।

নিভৃতে বসে ভাবি নিশীথ রাতে,
তারারা জ্বলে আকাশের প্রান্তে।
মন বলে, “হে মানুষ, তুই ক্ষণজীবী”,
তবু তোর লোভে ভরে ধরণী রবি।

প্রভাতের শিশিরে সূর্যের আলো,
জীবনের মতোই মিশে যায় ভালো।
ক্ষণেকের হাসি, ক্ষণেকের ব্যথা,
তবু মানুষ খোঁজে অনন্ত পথা।

ধন চাই, যশ চাই, সুখের নেশা,
কিন্তু শেষে মাটিই শেষের দেশা।
অহংকার ভোলে, রাজা-দরিদ্র,
সবাই মিশে যায় ধূলির নিদ্র।

মায়ের মুখখানি মনে পড়ে কেমনে,
তারই দোয়া আছে জীবনের স্রোতধারে।
পাপের বোঝা বয়ে ফিরে আসি শেষে,
প্রভুর দয়ার আশায় চোখ রাখি হেসে।

আকাশ বলে, “তুই ক্ষুদ্র ধূলিকণা”,
তবু তোর বুকে জ্বলে ঈমানের জ্বালা।
প্রেমে, দয়ায়, দানে, করুণা বুকে,
মানুষের মহিমা সৃষ্টির সুখে।

একদিন থামিবে নিশ্বাস ধীরে,
নিঃশব্দ হবে কোলাহল নীড়ে।
তখনই বোঝিবি জীবনের মান,
প্রভুর প্রেমেই লুকায় জান্নাতের দান।

তাই হে মন, অহংকার ত্যাগ কর,
ভালোবাসা দিয়ে সবারে আগর।
দীনতা রাখি অন্তরে সর্বক্ষণ,
তাহলেই পাবি শান্তির জীবন।