
ধ্বংসুপ্ত মায়া কবিতাটি লিখছেন কবি ইয়াসিন আরাফাত
আমার আকাশে নেমো না হে পাণ্ডুর চাঁদ, যন্ত্রণার কদাচারে মসৃণ হবো আমি। ধোঁয়াটে ধেয়ে যাবে আমার এই মলিনতা, সেই হরিণীর ঝাপসা চোখের চারুলতায়। আমাকে ডাকিও না, হে ধূমকেতুর দহন, দুর্বাসার গহীন অনন্তে— নিঃশেষ করোনা আমাকে তোমার সেই তীব্রতার প্রখর আঁচড়ে। আমাকে খুঁজিও না তোমার তীক্ষ্ণ মায়ার প্লাবনে; আমৃত্যু আমি বহন করেছি তব মায়ার আয়েশি ভোজে। হে গ্রহের ধ্বংস শিরা-রমণী, আর মায়া বাড়িও না; এই নিস্তব্ধ বিকেলের ফ্যাকাসে রোদে আর ভুগিও না আমাকে অপেক্ষিত যন্ত্রণার অনাহারে। আমাকে উন্মুক্ত করো এই অনন্ত দুর্বাসারের অন্ধ কুঠির থেকে, আমাকে বাঁচাও এই ধ্বংস-প্রজ্জ্বলিত মায়ার প্লাবন থেকে।
৩৬৮
আমার আকাশে নেমো না হে পাণ্ডুর চাঁদ,
যন্ত্রণার কদাচারে মসৃণ হবো আমি।
ধোঁয়াটে ধেয়ে যাবে আমার এই মলিনতা,
সেই হরিণীর ঝাপসা চোখের চারুলতায়।
আমাকে ডাকিও না, হে ধূমকেতুর দহন,
দুর্বাসার গহীন অনন্তে—
নিঃশেষ করোনা আমাকে
তোমার সেই তীব্রতার প্রখর আঁচড়ে।
আমাকে খুঁজিও না তোমার তীক্ষ্ণ
মায়ার প্লাবনে;
আমৃত্যু আমি বহন করেছি
তব মায়ার আয়েশি ভোজে।
হে গ্রহের ধ্বংস শিরা-রমণী,
আর মায়া বাড়িও না;
এই নিস্তব্ধ বিকেলের ফ্যাকাসে রোদে
আর ভুগিও না আমাকে
অপেক্ষিত যন্ত্রণার অনাহারে।
আমাকে উন্মুক্ত করো এই অনন্ত দুর্বাসারের অন্ধ কুঠির থেকে,
আমাকে বাঁচাও এই ধ্বংস-প্রজ্জ্বলিত মায়ার প্লাবন থেকে।