আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৮:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানুষ দেখলে ভয় হয়” কবিতাটি লিখছেন কবি মাহমুদুল হাসান

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪১ পড়া হয়েছে
১৪৪

“মানুষ দেখলে ভয় হয়”
~ মাহমুদুল হাসান

আজকাল মানুষ দেখলে আমার ভয় হয়,
তাদের মুখে হাসি, চোখে মায়া—
কিন্তু ভেতরে লুকিয়ে হায়েনার ক্ষুধা,
ভালোবাসার নামে চলে রাক্ষসের খেলা।

মনে পড়ে—চিৎকার করেছিল কেউ,
দেয়াল কাঁপিয়েছিল তার আর্তনাদ।
কিন্তু সমাজ ছিল কানে তুলো, চোখে কাপড়,
অবশেষে নিস্তব্ধতাই জিতে যায়, হার মানে ন্যায়।

আজকাল নম্রতা দেখলে আতঙ্ক জাগে,
চকলেটের মোড়কে ছিল পশুর ফাঁদ।
ছোট্ট আমি বুঝিনি তখন,
“ভালোবাসা”র নামে কী ভয়ানক দাহ!

সতিত্ব—যা ছিল আমার গর্বের পোশাক,
তারা ছিঁড়ে নিয়েছিল খেলনার মতো।
“না” বলেছিলাম বারবার, কিন্তু তাতে কী আসে যায়?
তাদের খিদে তো ‘না’ বোঝে না, বোঝে শুধু শরীরের মানচিত্র।

আজকাল রাতের অন্ধকার নয়,
আমি ভয় পাই দিনের আলোয় হাঁটতে।
কারণ ছদ্মবেশী নরপিশাচেরা ঘোরে,
মানুষের মুখোশে করে অবমাননার মিছিল।

একটা জাতির বিবেক তখনই মরে যায়,
যখন নির্যাতকের চেয়ে নির্যাতিতা হয় দায়ী।
তারা বলে—”তুমি তো চুপ ছিলে”,
আমি বলি—”আমি তো চিৎকার করেছিলাম!”
তারা বলে—”তুমি কেন গিয়েছিলে?”
আমি বলি—”আমি তো বিশ্বাস করেছিলাম!”

মানুষ নামের এ প্রাণীগুলো—
জন্ম দেয়, ভালোবাসে, আবার কাঁদায়;
কিন্তু কিছু কিছু মানুষ—
ভালোবাসার নামে গিলে ফেলে আত্মার শেষ আলোটুকুও।

আজ তাই,
আমি দেয়ালের সাথেই কথা বলি,
আকাশের তারা গোনি,
মানুষ দেখি না—দেখলেও চোখ নামিয়ে নিই,
কারণ আজকাল… মানুষ দেখলেই ভয় হয়।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

মানুষ দেখলে ভয় হয়” কবিতাটি লিখছেন কবি মাহমুদুল হাসান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
১৪৪

“মানুষ দেখলে ভয় হয়”
~ মাহমুদুল হাসান

আজকাল মানুষ দেখলে আমার ভয় হয়,
তাদের মুখে হাসি, চোখে মায়া—
কিন্তু ভেতরে লুকিয়ে হায়েনার ক্ষুধা,
ভালোবাসার নামে চলে রাক্ষসের খেলা।

মনে পড়ে—চিৎকার করেছিল কেউ,
দেয়াল কাঁপিয়েছিল তার আর্তনাদ।
কিন্তু সমাজ ছিল কানে তুলো, চোখে কাপড়,
অবশেষে নিস্তব্ধতাই জিতে যায়, হার মানে ন্যায়।

আজকাল নম্রতা দেখলে আতঙ্ক জাগে,
চকলেটের মোড়কে ছিল পশুর ফাঁদ।
ছোট্ট আমি বুঝিনি তখন,
“ভালোবাসা”র নামে কী ভয়ানক দাহ!

সতিত্ব—যা ছিল আমার গর্বের পোশাক,
তারা ছিঁড়ে নিয়েছিল খেলনার মতো।
“না” বলেছিলাম বারবার, কিন্তু তাতে কী আসে যায়?
তাদের খিদে তো ‘না’ বোঝে না, বোঝে শুধু শরীরের মানচিত্র।

আজকাল রাতের অন্ধকার নয়,
আমি ভয় পাই দিনের আলোয় হাঁটতে।
কারণ ছদ্মবেশী নরপিশাচেরা ঘোরে,
মানুষের মুখোশে করে অবমাননার মিছিল।

একটা জাতির বিবেক তখনই মরে যায়,
যখন নির্যাতকের চেয়ে নির্যাতিতা হয় দায়ী।
তারা বলে—”তুমি তো চুপ ছিলে”,
আমি বলি—”আমি তো চিৎকার করেছিলাম!”
তারা বলে—”তুমি কেন গিয়েছিলে?”
আমি বলি—”আমি তো বিশ্বাস করেছিলাম!”

মানুষ নামের এ প্রাণীগুলো—
জন্ম দেয়, ভালোবাসে, আবার কাঁদায়;
কিন্তু কিছু কিছু মানুষ—
ভালোবাসার নামে গিলে ফেলে আত্মার শেষ আলোটুকুও।

আজ তাই,
আমি দেয়ালের সাথেই কথা বলি,
আকাশের তারা গোনি,
মানুষ দেখি না—দেখলেও চোখ নামিয়ে নিই,
কারণ আজকাল… মানুষ দেখলেই ভয় হয়।