
বহু বছর পর এপথে বাড়িয়েছি পা
মনে তো নেই শেষ কবে হেটেছিলাম এ পথে তুমি আমি একসাথে,
সাড়ি সাড়ি কৃষ্ণচূড়ার বৃক্ষরাজি এখনও
স্ব-শরীরে দণ্ডায়মান চিরযৌবনা আপন রূপে।
সময়ের তালে তালে যাচ্ছি বয়ে বহুদূর
স্মৃতিরাও গুমরে মরে দরজা লানালা বিহীন মনে।
এখন আর যাইনা ঐ কৃষ্ণচূড়ার ধারে
যে আজও দাঁড়িয়ে আছে নীরব প্রেমের সাক্ষী হয়ে।
কতই না স্বপ্ন আশার বানী
শুনিয়েছিলে কতসব দিনে।
এখন আর ফসলের মাঠ ধেয়ে আসা
হিমেল হাওয়া মাখি না গায়,
ভেজাই না পা শিশির ঝরা ভেজা ঘাসে
ভাসাই না গা ভেজা শালিকের পালকে।
ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি এলে এখন আর মন ভেজাই না চোখ বুজে,
মন তো বহু ভিজেছে বাঁধ না মানা
নয়ল জলে।
রোজ বিকেলে চায়ের কাপে
ঝড় উঠে না কবিতা পাঠে
ওসব এখন ফিকে লাগে।
সকালের চা টাও যেন হারিয়েছ তার ব্যকুলতা
মনের আঙিনায় অনুভূতিরা ঝড়াপাতা।
ফুলদানীতে কাগজের ফুল
যেমন সুবাস ছড়ায় না
তোমার ভালোবাসার টানাপোড়নে
মনের জানালায় কখন যে খিল পড়েছে
তা তুমি নিজেও জানো না,
নীরবে নিভৃতে গড়ে উঠেছিল
নিস্তব্ধতার দেয়াল।
কতশত অনিয়মে গড়ে উঠেছিল
অভিযোগের পাহাড়, সেই পাহার
ডিঙিয়ে আর কখনও ছুঁতে পারিনি
অভিমানী মনের বয়ে চলা স্রোতধারা।
জমানো যত অভিযোগ,অভিমান আর নিরাশা হৃদয়ের ব্যকুলতা আর তুমি
সবই এখন প্রাক্তন।
মনের ক্যানভাসে জমেছে ধূলিকণা,
এখন আর তোমাকে না পাওয়ার ব্যর্থতা
আমায় ভাবায় না
তুমি এখন শুধুই প্রাক্তন।
মোঃ তানজিমুল ইসলাম 
















