আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
১২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“বহমান নদী” কবিতাটি লিখছেন নূর মোহাম্মদ

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৬ পড়া হয়েছে
১১৪

​বহমান নদী

নূর মোহাম্মদ

 

​আমার হৃদয়ের গহীনে বহমান নদী, চলে এঁকেবেঁকে,
শত শত বাধা রুখে দিয়ে ঠিক দাঁড়িয়ে যায় তার গন্তব্যে।
আমার আর চাওয়া নেই নদীর কাছে—
সে মেঘনা, যমুনা, পদ্মা, কার সাথে মিলে যাবে;
সে তার ইচ্ছে, আমি কিছু না।

​আমার একপাশে ছিমছাম দ্বীপ, সবুজে ঘেরা,
আমি অবশ্য চাইতাম দ্বীপ হতে, সবুজের সাজে সাজতে।
তবে নদীর মতো আর বহমান হবো না তাই,
চাওয়ার কথা আর রাখলাম না আমি রবের দুয়ারে।
​আমি যখন বহমান নদী হয়ে চলছি,

কোথাও না কোথাও তীর ভেঙে—জেলে, কৃষক,
তাদের স্বপ্ন ভেঙেছি; তার জন্য বেশ মন খারাপ হয়।
আমি করব কী? আমি তো বহমান নদী, আমায় বহমান থাকতেই হবে।

​আমার রূপে-গুণে আবার সৌন্দর্য তুলি এক বিকেলে,
কত জনে আসে একটু শান্তির ছোঁয়া নিতে।
আবার ভালোবাসে বলে— “এ নদী, তুমি আমার ভালোবাসা,”
আবার ঘৃণা করে বলে— “এ নদী, তুই সর্বনাশা।”

​এমনি যাচ্ছে জীবন, থেমে নেই যাত্রা,
কারো প্রিয়, কারো অপ্রিয়।
আমাকেই যেতে হয় বহমান নদী হয়ে,
একা এঁকেবেঁকে, কোনো এক দিকে।

​সেদিনও বললো, “কোথায় যাচ্ছো, বহমান নদী?”
বলতে পারি নাই গন্তব্য কোথায় হবে শেষ;
এখানেও হতে পারে, দূর প্রবাসেও হতে পারে।
কারণ আমি বহমান, থামতে জানি না—
আমি থামতে জানি না।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

“বহমান নদী” কবিতাটি লিখছেন নূর মোহাম্মদ

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
১১৪

​বহমান নদী

নূর মোহাম্মদ

 

​আমার হৃদয়ের গহীনে বহমান নদী, চলে এঁকেবেঁকে,
শত শত বাধা রুখে দিয়ে ঠিক দাঁড়িয়ে যায় তার গন্তব্যে।
আমার আর চাওয়া নেই নদীর কাছে—
সে মেঘনা, যমুনা, পদ্মা, কার সাথে মিলে যাবে;
সে তার ইচ্ছে, আমি কিছু না।

​আমার একপাশে ছিমছাম দ্বীপ, সবুজে ঘেরা,
আমি অবশ্য চাইতাম দ্বীপ হতে, সবুজের সাজে সাজতে।
তবে নদীর মতো আর বহমান হবো না তাই,
চাওয়ার কথা আর রাখলাম না আমি রবের দুয়ারে।
​আমি যখন বহমান নদী হয়ে চলছি,

কোথাও না কোথাও তীর ভেঙে—জেলে, কৃষক,
তাদের স্বপ্ন ভেঙেছি; তার জন্য বেশ মন খারাপ হয়।
আমি করব কী? আমি তো বহমান নদী, আমায় বহমান থাকতেই হবে।

​আমার রূপে-গুণে আবার সৌন্দর্য তুলি এক বিকেলে,
কত জনে আসে একটু শান্তির ছোঁয়া নিতে।
আবার ভালোবাসে বলে— “এ নদী, তুমি আমার ভালোবাসা,”
আবার ঘৃণা করে বলে— “এ নদী, তুই সর্বনাশা।”

​এমনি যাচ্ছে জীবন, থেমে নেই যাত্রা,
কারো প্রিয়, কারো অপ্রিয়।
আমাকেই যেতে হয় বহমান নদী হয়ে,
একা এঁকেবেঁকে, কোনো এক দিকে।

​সেদিনও বললো, “কোথায় যাচ্ছো, বহমান নদী?”
বলতে পারি নাই গন্তব্য কোথায় হবে শেষ;
এখানেও হতে পারে, দূর প্রবাসেও হতে পারে।
কারণ আমি বহমান, থামতে জানি না—
আমি থামতে জানি না।