আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
০৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪৯ পড়া হয়েছে
৭০

অশোধনীয় ঋণ
মোঃ তানজিমুল ইসলাম

 

কিছু মানুষের কাছে আমি আজও ঋণী,
সে ঋণ কোনো টাকায় শোধ হয় না।
তারা আমাকে দিয়েছে এমন দুঃখ,
যার কোনো ওজন নেই, কোনো পরিমাপ নেই।

আমি দিতে চেয়েছিলাম ক্ষমা,
তারা ফিরিয়ে দিয়েছে নীরব কান্না।
আমি চেয়েছিলাম বিশ্বাস,
তারা উপহার দিয়েছে ভাঙনের গল্প।

আমার রাতগুলো আজও সাক্ষী,
নিঃশব্দ আর্তনাদের।
বালিশ ভেজা চোখের জল
কারও কাছে অভিযোগ করেনি কখনো।

তারা শিখিয়েছে একাকিত্বের মানে,
মানুষের ভিড়েও একা থাকার পাঠ।
শিখিয়েছে কীভাবে হাসতে হয়,
বুকের ভেতর ঝড় লুকিয়ে রেখে।

আমার স্বপ্নগুলো থেমে যায়নি,
শুধু কিছুটা ক্লান্ত হয়েছে।
আশা ভাঙেনি পুরোপুরি,
শুধু বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে।

আমি কাউকে দোষ দিই না,
কারণ দুঃখও একধরনের শিক্ষক।
সে কঠিন পাঠ শেখায়,
বিনিময়ে কেড়ে নেয় সরলতা।

তারা আমাকে দুর্বল করেনি,
তারা আমাকে মানুষ চিনিয়েছে।
কার মুখোশ কোথায় খুলে যায়,
কার হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে বিষ।

এই শিক্ষা ফেরত দেওয়ার
কোনো পথ আমার জানা নেই।
তাই আজও আমি ঋণী,
নীরব অভিজ্ঞতার কাছে।

সময় এগিয়ে যায় নিজের নিয়মে,
ক্ষতগুলো শুকিয়ে দাগ হয়ে থাকে।
স্মৃতির দেয়ালে ঝুলে থাকে
না বলা অগণিত প্রশ্ন।

তবু আমি বিশ্বাস করি,
আলো একদিন আসবেই।
কারণ অন্ধকার না থাকলে
আলোর মূল্য বোঝা যায় না।

কিছু মানুষের ঋণ
শোধ করার নয়,
বহন করার,
আজীবন।

সে ঋণ আমি বয়ে চলেছি
নিরবে, নিভৃতে।
দুঃখকে শক্তিতে বদলে
সামনের পথে হেঁটে চলেছি।

কারণ আমি শিখেছি,
হার থেকেই মানুষ গড়ে ওঠে।

এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

🎉 Shapno24 প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🎉

আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

🎊 শুভেচ্ছা কার্ড তৈরি করুন 🎊

নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।

Greeting Card তৈরি করুন

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
৭০

অশোধনীয় ঋণ
মোঃ তানজিমুল ইসলাম

 

কিছু মানুষের কাছে আমি আজও ঋণী,
সে ঋণ কোনো টাকায় শোধ হয় না।
তারা আমাকে দিয়েছে এমন দুঃখ,
যার কোনো ওজন নেই, কোনো পরিমাপ নেই।

আমি দিতে চেয়েছিলাম ক্ষমা,
তারা ফিরিয়ে দিয়েছে নীরব কান্না।
আমি চেয়েছিলাম বিশ্বাস,
তারা উপহার দিয়েছে ভাঙনের গল্প।

আমার রাতগুলো আজও সাক্ষী,
নিঃশব্দ আর্তনাদের।
বালিশ ভেজা চোখের জল
কারও কাছে অভিযোগ করেনি কখনো।

তারা শিখিয়েছে একাকিত্বের মানে,
মানুষের ভিড়েও একা থাকার পাঠ।
শিখিয়েছে কীভাবে হাসতে হয়,
বুকের ভেতর ঝড় লুকিয়ে রেখে।

আমার স্বপ্নগুলো থেমে যায়নি,
শুধু কিছুটা ক্লান্ত হয়েছে।
আশা ভাঙেনি পুরোপুরি,
শুধু বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে।

আমি কাউকে দোষ দিই না,
কারণ দুঃখও একধরনের শিক্ষক।
সে কঠিন পাঠ শেখায়,
বিনিময়ে কেড়ে নেয় সরলতা।

তারা আমাকে দুর্বল করেনি,
তারা আমাকে মানুষ চিনিয়েছে।
কার মুখোশ কোথায় খুলে যায়,
কার হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে বিষ।

এই শিক্ষা ফেরত দেওয়ার
কোনো পথ আমার জানা নেই।
তাই আজও আমি ঋণী,
নীরব অভিজ্ঞতার কাছে।

সময় এগিয়ে যায় নিজের নিয়মে,
ক্ষতগুলো শুকিয়ে দাগ হয়ে থাকে।
স্মৃতির দেয়ালে ঝুলে থাকে
না বলা অগণিত প্রশ্ন।

তবু আমি বিশ্বাস করি,
আলো একদিন আসবেই।
কারণ অন্ধকার না থাকলে
আলোর মূল্য বোঝা যায় না।

কিছু মানুষের ঋণ
শোধ করার নয়,
বহন করার,
আজীবন।

সে ঋণ আমি বয়ে চলেছি
নিরবে, নিভৃতে।
দুঃখকে শক্তিতে বদলে
সামনের পথে হেঁটে চলেছি।

কারণ আমি শিখেছি,
হার থেকেই মানুষ গড়ে ওঠে।