আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“একুশে ফেব্রুয়ারির দিন” গল্পটি লিখছেন ওমর ফারুক আশরাফী

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

৬৩

একুশে ফেব্রুয়ারির দিন
ওমর ফারুক আশরাফী

আজ একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।তাই

দূর-দূরান্তে শোনা যাচ্ছে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো”

এই গানটি।গানের শব্দে ঘুম ভেঙে যায়।উঠে ফ্রেশ হয়ে

বাহিরে যাই।দেখি,ছোট্ট ছেলে-পুলে পথের ধারে ধারে ইট বা

বাসের কঞ্চি দিয়ে শহীদ মিনার বানিয়ে রেখেছে।কেউ

আবার সেথায় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।রাস্তাঘাট কাগজের

পতাকায় মোড়ানো।আবার কিছু দুষ্টু ছেলে বাড়ির ছাদে বসে

ছোট্ট ডেকস বাজাচ্ছে।এসব দেখে আমার শৈশবের স্মৃতি

মনে পড়ে যায়।আমরা বন্ধুরা মিলে এরকম করে শহীদ মিনার

বানাতাম এবং লালু চাচার নার্সারি থেকে কত ফুল যে চুরি

করে শহীদ মিনারে দিতাম। বাবার মানিব্যাগ থেকে টাকা চুরি

করে কাগজের পতাকা কিনে ঘর সাজাতাম।এসব শুধু স্মৃতি

হয়ে রয়ে গেছে। এসব ভাবতে ভাবতেই বন্ধু আমাকে ডাক

দিল।বন্ধুকে দেখে তো আমি অবাক।কারন ও কানাডা থাকে।

জিজ্ঞেস করলাম,তুই আসলি কবে? এইতো দুদিন

হলো;ভাবলাম তোকে সারপ্রাইজ দেব।যাইহোক আয় আমরা

শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাই।আমিও না করলাম না।শহীদ

মিনার যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। দুই বন্ধু গল্প করতে

করতে শহীদ মিনার পৌঁছে যাই।

Facebook Comments Box
এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

“একুশে ফেব্রুয়ারির দিন” গল্পটি লিখছেন ওমর ফারুক আশরাফী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
৬৩

একুশে ফেব্রুয়ারির দিন
ওমর ফারুক আশরাফী

আজ একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।তাই

দূর-দূরান্তে শোনা যাচ্ছে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো”

এই গানটি।গানের শব্দে ঘুম ভেঙে যায়।উঠে ফ্রেশ হয়ে

বাহিরে যাই।দেখি,ছোট্ট ছেলে-পুলে পথের ধারে ধারে ইট বা

বাসের কঞ্চি দিয়ে শহীদ মিনার বানিয়ে রেখেছে।কেউ

আবার সেথায় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।রাস্তাঘাট কাগজের

পতাকায় মোড়ানো।আবার কিছু দুষ্টু ছেলে বাড়ির ছাদে বসে

ছোট্ট ডেকস বাজাচ্ছে।এসব দেখে আমার শৈশবের স্মৃতি

মনে পড়ে যায়।আমরা বন্ধুরা মিলে এরকম করে শহীদ মিনার

বানাতাম এবং লালু চাচার নার্সারি থেকে কত ফুল যে চুরি

করে শহীদ মিনারে দিতাম। বাবার মানিব্যাগ থেকে টাকা চুরি

করে কাগজের পতাকা কিনে ঘর সাজাতাম।এসব শুধু স্মৃতি

হয়ে রয়ে গেছে। এসব ভাবতে ভাবতেই বন্ধু আমাকে ডাক

দিল।বন্ধুকে দেখে তো আমি অবাক।কারন ও কানাডা থাকে।

জিজ্ঞেস করলাম,তুই আসলি কবে? এইতো দুদিন

হলো;ভাবলাম তোকে সারপ্রাইজ দেব।যাইহোক আয় আমরা

শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাই।আমিও না করলাম না।শহীদ

মিনার যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। দুই বন্ধু গল্প করতে

করতে শহীদ মিনার পৌঁছে যাই।

Facebook Comments Box