বাংলা সাহিত্য জগতে এক উদীয়মান, মেধাবী ও সৃষ্টিশীল তরুণের নাম মোঃ তৈয়ব হোসেন। আজ ১১ই নভেম্বর তাঁর জন্মদিন। এই বিশেষ দিনে তাঁকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। তাঁর সাহিত্যপ্রেম, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজ তাঁকে আলাদা এক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

১৯৯৮ সালের এই দিনে ভোলা জেলার সবুজে ঘেরা চরফ্যাশন উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা মোঃ মফিজুল ইসলাম এবং মাতা সাফিয়া বেগম। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন জ্ঞানান্বেষী, মননশীল ও শিল্পপ্রেমী একজন তরুণ।

শিক্ষাজীবনে তিনি অর্জন করেছেন প্রশংসনীয় সাফল্য। মাদ্রাসা শিক্ষা মাধ্যমে এস.এস.সি সম্পন্ন করার পর, চরফ্যাশন সরকারি কলেজ থেকে এইচ.এস.সি ও বি.এস.এস (অনার্স) সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে সরকারি ব্রজমোহন (বি. এম.) কলেজ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন।

সাহিত্যচর্চার প্রতি তাঁর ভালোবাসা শৈশবকাল থেকেই। বই পড়া, গল্প লেখা ও কবিতার প্রতি তাঁর ছিল অগাধ অনুরাগ। তিনি নিয়মিত বিভিন্ন অনলাইন সাহিত্য পোর্টাল, ম্যাগাজিন এবং যৌথ কাব্য সংকলন-এ লেখালেখি করে আসছেন।
তাঁর লেখার আবেগ, বাস্তবচেতনা ও হৃদয়ের গভীরতা পাঠকের মনে অনন্য আবেদন তৈরি করে।

তাঁর সাহিত্য জীবনের অন্যতম সাফল্য হলো জনপ্রিয় উপন্যাস “হৃদয় আঙিনায় বসতি”, যা পাঠকমহলে ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বর্তমানে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে। তাঁর নেতৃত্বে পরিষদটি আজ দেশব্যাপী একটি সৃজনশীল ও ঐক্যবদ্ধ সাহিত্য পরিবারে রূপ নিয়েছে।
সংগঠনের কার্যক্রমে তিনি নিবেদিত, নেতৃত্বে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন এবং সাহিত্যের মাধ্যমে মানবতার আলো ছড়িয়ে দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ একজন তরুণ সাহিত্য সংগঠক।

তাঁর সাহিত্য দর্শন অত্যন্ত গভীর,
“লেখা মানে শুধু কাগজে শব্দের বিন্যাস নয়, লেখা মানে হৃদয়ের ভাষায় মানবতার গল্প বলা।”

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাহী পরিচালক মোঃ তৈয়ব হোসেন-এর প্রতি রইল ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও অশেষ শুভকামনা।
তাঁর জীবনের প্রতিটি দিন হোক সাফল্যে, শান্তিতে ও সৃষ্টিশীলতায় পরিপূর্ণ।

শুভ জন্মদিন, মোঃ তৈয়ব হোসেন!
তোমার কলম হোক আলোর মশাল, তোমার সৃষ্টি ছুঁয়ে যাক আগামী প্রজন্মের হৃদয়।