ধানের মাঠে রোদের হাসি,
মাঠে খেলত গ্রামের বাঁশি।
নদীর পাড়ে পাট খেত ভরা,
শিশুরা হাসে সোনার ধরা।

মাটির ঘরে কাঁচা দাওয়াত,
মা ডাক দিত— খাবি ভাত?
চুলার ধোঁয়ায় উঠত গান,
বিকেল বেলা গল্প সন্ধান।

বটতলায় চলত আসর,
বৃদ্ধেরা বলত দিনের কসর।
নেই ছিল মোবাইল, নেই ছিল ভয়,
তবু ছিল কত সুখ-সয়।

রেডিওতে বাজত খবর,
বৃষ্টি নামত টুপটাপ করে।
আকাশ ভরা পাখির ডাকে,
গ্রামটা থাকত মুগ্ধ রাখে।

খেজুর রসে ভরত হাঁড়ি,
ভোরের হাওয়ায় গন্ধ তারই।
গরুর গাড়ি টুপটাপ চলে,
ধুলার পথে সূর্য ঢলে।

চাঁদের রাতে উঠত মেলা,
চুড়ি, বাতাস, গানের খেলা।
বাঁশের বাঁশি বাজত হাওয়ায়,
মনটা যেত শৈশব ছাওয়ায়।

এখন দেখি সেই পথ শুকনো,
তবু চোখে পড়ে অতীত মুগ্ধ।
নব্বই দশক – হৃদয়ের গ্রাম,
স্মৃতির মণি, স্বপ্নের ঠিকানা ।