২০২৫ সালের সেরা অবদানকারী ঘোষণা

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ একটি দায়িত্বশীল, মানবিক ও স্বপ্ননির্ভর সাহিত্য সংগঠন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাহিত্যচর্চা, সামাজিক সচেতনতা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে। সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করতে যাঁরা নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করাই এই ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য।

পরিষদের পরিচালনা টিম ও অভ্যন্তরীণ কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালের সেরা অবদানকারী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে,
নাজমিন জান্নাত মারজান এবং আবু রিসাত উৎস-এর নাম।

সংগঠনের প্রশাসনিক কার্যক্রম, সাহিত্যচর্চা, মানবিক উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাঁদের দায়িত্বশীল ভূমিকা, আন্তরিকতা ও ধারাবাহিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদের সার্বিক অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। সময়ানুবর্তিতা, দলগত সমন্বয় এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও আদর্শ বাস্তবায়নে তাঁদের অবদান পরিচালনা টিমের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ-এর প্রধান উপদেষ্টা মোঃ ইশতিয়াক আহম্মেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “একটি সাহিত্য সংগঠনের শক্তি নিহিত থাকে তার কর্মীদের সততা, নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতার মধ্যে। নাজমিন জান্নাত মারজান ও আবু রিসাত উৎস তাঁদের নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রম, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে সংগঠনের প্রতি যে ভালোবাসা ও অঙ্গীকারের পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।
আমি বিশ্বাস করি, তাঁদের এই স্বীকৃতি সংগঠনের অন্যান্য সদস্যদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে এবং বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী একটি সাহিত্যিক প্ল্যাটফর্মে রূপ নেবে।”

 

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ মনে করে, এই স্বীকৃতি কেবল ব্যক্তিগত সম্মান নয়; বরং সংগঠনের ভেতরে কর্মপ্রেরণা, ঐক্য ও দায়িত্ববোধকে আরও দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পরিষদের পক্ষ থেকে নাজমিন জান্নাত মারজান ও আবু রিসাত উৎস-কে জানানো হচ্ছে আন্তরিক অভিনন্দন, কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা।

ভবিষ্যতেও তাঁদের মেধা, শ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বপ্ন সাহিত্য পরিষদ সাহিত্য, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পথে আরও দূর এগিয়ে যাবে, এই প্রত্যাশা রইল।