অন্তরের অন্তর

মহসিন আলম মুহিন

 

তুমি আমার, অন্তরের অন্তর,

তুমি ছাড়া, গতি যে মন্থর।।

 

অন্তর আমার, পায় শীতলতা,

তুমি ছাড়া, বাড়ে ব্যাকুলতা।।

 

শরীরের রোগ সাড়ে ডাক্তারে,

তুমি ছাড়া অন্তর পুড়ে মরে।।

 

বাতাসে, সাগর মাঝে উঠে ঢেউ,

তুমি আমার, অন্তরেরই কেউ।।

 

অন্তরেরই-মানুষ, তুমি আমার,

অন্তরেই থেকো-জীবন ভর।।

 

ঋতুর পালাবদলে

মহসিন আলম মুহিন

 

বৈশাখ আর জৈষ্ঠ্যে গ্রীষ্ম ঋতু আসে,

রৌদ্র-খরা-ঝড়; সকাল, দুপুর, সাঁঝে।।

 

নববর্ষের আয়োজন চলে মোদের দেশে,

মধুমাস জৈষ্ঠ্যে থাকে; গ্রীষ্মেরই পরশে।

 

বর্ষার আগমনে ডুবুডুবু; আষাঢ়-শ্রাবণ,

ঝরঝর বারি ঝরে; হঠাৎ বন্যার কারণ।।

 

জেলে আর ছেলেরা পায় নতুন পানি,

মনে হয় সকল খুশী দেয় হাত ছানি।।

 

শরতের কাশফুলের শোভা; ভাদ্র-আশ্বিন,

শুভ্র মেঘের খেলা মধু মাখা রাত-দিন।।

 

মাঝে মাঝে ঝলক মারে রোদেলা আলো,

আবার ঝুম ঝুম বৃষ্টি; নামে যে ভালো।।

 

হেমন্তের আগমনে স্নিগ্ধ; কার্তিক-অঘ্রাণ-

সোনালি ধানের শীষে ভরে উঠে উঠান।।

 

কৃষাণীর বুকে ফোটে কত শত আশা,

কৃষকের বুকে জাগে প্রীতি ভালবাসা।।

 

শীতের আগমন ঘটে পৌষ-মাঘ মাসে,

পিঠাপুলির আয়োজন অতিথিরা আসে।।

 

কুয়াশার চাঁদরে ঢাকা শীতকালের দুনিয়া,

গরম কাপড়ে মোড়া সারাদেহ জুড়িয়া।।

 

ঋতুরাজ বসন্ত আসে চৈত্র এবং ফাগুনে,

প্রেমিক যুগল পোড়ে প্রেমেরই আগুনে।।

 

ফুল ফুটুক আর না ফুটুক জীবনে’ বসন্ত,

ষড়ঋতুর বাংলাদেশ ঋতু বদলে প্রাণবন্ত।।