আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“রক্তে কেনা বর্ণমালা” লিখেছেন নাজমুন নাহার খান

  • Reporter Name
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮ পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

২৩

রক্তে কেনা বর্ণমালা
কলমে : নাজমুন নাহার খান

 

একুশ আমার অহংকার আর একুশ আমার গর্ব,
বাঙালির এই অমর কাব্য পাঠ করে সব সর্ব—

যেখানে আছে রক্তে ভেজা পলাশ রাঙা পথ,
যেখানে আছে মায়ের ভাষার দৃপ্ত মনোরথ।

​একুশ মানে শিকল ভাঙার অদম্য এক গান,
একুশ মানেই রাজপথ জুড়ে রফিক-জব্বারের প্রাণ।

বুকের ভেতর ‘অ-আ-ক-খ’ যখন কথা কয়,
রক্তে কেনা বর্ণমালা— নেই তো তাহার ক্ষয়।

​তুমি কি জানো সেই ফাল্গুনে কী ঘটেছিল ভাই?
উর্দুর ওই কালো থাবায় মাটি হয়েছিল ছাই।

কিন্তু বাধা মানেনি কেউ, মানেনি কোনো ডর,
মায়ের ভাষায় কথা বলতে ঘর হয়েছিল পর।

সালাম-বরকত রুখে দাঁড়াল বুলেটের সেই মুখে,
বাংলা আমার নাম হলো আজ বিশ্ববাসীর বুকে।

​একুশ আমার একুশ তোমার, একুশ সবার প্রাণ,
যুগান্তরের ধমনীতে বাজে এই তো অধিকারের গান।

শহিদ মিনার দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে চিরদিন,
আমরা কভু শোধ করতে পারব না সেই রক্তের ঋণ।

​একুশ মানেই মাথা নত না করা এক জেদ,
একুশ মানেই মানুষে মানুষে ভুলে যাওয়া সব ভেদ।

যতদিন রবে পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদীর ধারা,
ততদিন রবে একুশ আমার ধ্রুবতারা, শুকতারা।

Facebook Comments Box
এই বিষয়ের ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাংবাদিকের তথ্য জানুন

“রক্তে কেনা বর্ণমালা” লিখেছেন নাজমুন নাহার খান

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
২৩

রক্তে কেনা বর্ণমালা
কলমে : নাজমুন নাহার খান

 

একুশ আমার অহংকার আর একুশ আমার গর্ব,
বাঙালির এই অমর কাব্য পাঠ করে সব সর্ব—

যেখানে আছে রক্তে ভেজা পলাশ রাঙা পথ,
যেখানে আছে মায়ের ভাষার দৃপ্ত মনোরথ।

​একুশ মানে শিকল ভাঙার অদম্য এক গান,
একুশ মানেই রাজপথ জুড়ে রফিক-জব্বারের প্রাণ।

বুকের ভেতর ‘অ-আ-ক-খ’ যখন কথা কয়,
রক্তে কেনা বর্ণমালা— নেই তো তাহার ক্ষয়।

​তুমি কি জানো সেই ফাল্গুনে কী ঘটেছিল ভাই?
উর্দুর ওই কালো থাবায় মাটি হয়েছিল ছাই।

কিন্তু বাধা মানেনি কেউ, মানেনি কোনো ডর,
মায়ের ভাষায় কথা বলতে ঘর হয়েছিল পর।

সালাম-বরকত রুখে দাঁড়াল বুলেটের সেই মুখে,
বাংলা আমার নাম হলো আজ বিশ্ববাসীর বুকে।

​একুশ আমার একুশ তোমার, একুশ সবার প্রাণ,
যুগান্তরের ধমনীতে বাজে এই তো অধিকারের গান।

শহিদ মিনার দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে চিরদিন,
আমরা কভু শোধ করতে পারব না সেই রক্তের ঋণ।

​একুশ মানেই মাথা নত না করা এক জেদ,
একুশ মানেই মানুষে মানুষে ভুলে যাওয়া সব ভেদ।

যতদিন রবে পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদীর ধারা,
ততদিন রবে একুশ আমার ধ্রুবতারা, শুকতারা।

Facebook Comments Box