চুপচাপ মানুষটা বসে একা,
চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা।
বুকের ভেতর ঝড়ের হাওয়া,
হাসির আড়ালে ব্যথার ছাওয়া
দৃঢ় মুখে অজস্র দাগ,
ভিতরে লুকায় দহন ভাগ।
কেউ বোঝে না, কেউ চায় না জানা,
কারণ সে পুরুষ, তাই নিরবতা মানা।
নারীর অশ্রু পায় সম্মান,
আইন-সমাজ দেয় সাড়া প্রাণ।
কিন্তু পুরুষের চোখের জল,
বলে সবাই “দুর্বল মন বল!”
বালিশের নিচে কান্না জমে,
রাতের নীরবতা সাক্ষী সমে।
বাইরে সে শক্ত, ভিতরে ক্ষত,
তবু সে চুপ, এ তার অভ্যস্ত।
সংসার ভাঙে, ভালোবাসা মরে,
নিজ প্রিয় হাতে সে জ্বলে রে!
তবু আদালতে নেই তার স্থান,
কারণ আইন তার নয়, অবমান!
নারীর জন্য অধ্যায় আছে,
অভিযোগ-মামলা সহজে সাজে।
আর পুরুষের ভাগে শুধু অন্ধকার,
নেই সহানুভূতির কোনো অধিকার।
বাবা হয়ে দেয় ত্যাগ-তিতিক্ষা,
স্বামী হয়ে করে হৃদয় নিঃশেষ।
ছেলে হয়ে ভুলে নিজের ইচ্ছা,
তবু কেউ বলে না “তুমি কেমন আছো বেশ?”
রাতের নিস্তব্ধতায় ভাবে সে চুপে,
“আমিও মানুষ, ব্যথা আমার রূপে।
আমিও ভালোবাসি, আমিও কাঁদি,
তবু কেন আমি দোষী সাধি?”
প্রিয় নারী বলে, “তুমি কিছু বোঝো না!”
সে বোঝেও, তবু মুখ খোলে না।
কারণ তর্ক মানে নতুন ক্ষত,
বুকে জমে অজানা শত শত।
কত পুরুষ আজ নীরবে পোড়ে,
সমাজ হাসে, কটূ কথা ছোড়ে।
“পুরুষ তো সহ্য করো” এমন বুলি,
কিন্তু ব্যথা কি শোনে কেউ এক মুহূর্তি?
কতবার দমিয়ে রাখবে কান্না,
কতবার ভাববে, নেই তো মানা।
ভালোবাসা তার ফিরে আসে বিষে,
তবু সে ক্ষমা করে নিশীথ নিশে।
রাতের আঁধারে বুক ফেটে যায়,
কেউ তা দেখে না, শুনে না হায়!
সে লিখতে চায়, বলতে চায়,
“আমিও মানুষ, ন্যায় আমি চাই!”
কিন্তু আইন চুপ, সমাজ অন্ধ,
সভ্যতার বুকেও আজ বধির বন্ধ।
তার অশ্রু শুকায় পাথরের মতো,
তবু সে মানুষ, কাঁদে নীরবে যত।
হয়তো একদিন জাগবে পৃথিবী,
শুনবে পুরুষের ব্যথার কবিতা লিখি।
তখন হয়তো ন্যায় আসবে ফের,
মানুষ মানে হবে “নারী-পুরুষ” একসের।
সেদিন সে বলবে চোখের জল ফেলে,
“আমিও মানুষ, বিচার চাই ন্যায়ের তলে।”
আগামী ৩১ জুলাই www.shapno24.com এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।
নিজের নাম দিয়ে আকর্ষণীয় Greeting Card তৈরি করুন।
Greeting Card তৈরি করুন